শিরোনাম
◈ দিল্লিতে তিনতলা ভবন ধসে নিহত ২, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকার আশঙ্কা বহুজনের ◈ এইচএসসি পরীক্ষায় এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের বিশেষ পরীক্ষা ২ ও ৩ ডিসেম্বর, ফল ২৩ ডিসেম্বর ◈ মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের ◈ অ্যাম্বুলেন্স সেবা সিন্ডিকেটের দখলে, ভাড়ায় লাগাম নেই; রোগী ও মরদেহ পরিবহনে চরম ভোগান্তি ◈ মধ‌্যবর্তী নির্বাচ‌নে ট্রাম্পের দলের হারের নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ, স্বীকার করলেন ভাইস প্রেসি‌ডেন্ট ◈ কুমিল্লায় এনআইডি করতে গিয়ে ঘুষের প্রতিবাদ, নির্বাচন কর্মকর্তার কক্ষে প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ ◈ বরিশালে বছরে ৩০ হাজার মানুষ আক্রান্ত ছানিতে, এক কোটি মানুষের ভরসা এক শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ◈ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ, এবার কঙ্গো গেলেন বিমান বাহিনীর ১১১ জন ◈ শ্রমিক অসন্তোষে শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, চলছে ড্রোন নজরদারি ◈ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা হিমাংশু পাল

প্রকাশিত : ০৭ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:১৪ রাত
আপডেট : ১২ মে, ২০২৫, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেয়ায় ইমাম বরখাস্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার পীরগাছি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. ওসমান গনিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জুমার নামাজের খুতবার বয়ানে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মাওলানা মামুনুল হকসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের কথা উল্লেখ করায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। গত শনিবার (৫ অক্টোবর) রাতে মসজিদ কমিটি মৌখিকভাবে তাকে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

স্থানীয় মুসল্লিদের মতে, গত শুক্রবার (৪ অক্টোবর) জুমার নামাজের সময় মাওলানা ওসমান গনি নবী-রাসুল ও পীর-মাশায়েখদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। এ সময় মসজিদে উপস্থিত কিছু মুসল্লি তার বক্তব্যে আপত্তি জানান এবং তাকে খুতবা দেয়ার সময় অপমানিত করেন। এরপর মসজিদ কমিটি তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়, যা মুসল্লিদের অনেকের কাছে অপমানজনক বলে মনে হয়েছে।

ভুক্তভোগী ইমাম মাওলানা ওসমান গনি জানান, তিনি ধারাবাহিকভাবে রাসুল (সা.)-এর জীবনী নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তার বক্তব্যে নবী মুসা (আ.) এবং হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ওপর হওয়া নির্যাতনের উদাহরণ তুলে ধরেন। এই প্রসঙ্গে তিনি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকের ওপর হওয়া নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই প্রসঙ্গ তুলে ধরার পর আমাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং পরের জুমার নামাজে উপস্থিত হয়ে বিদায় নিতে চাইলেও সেই সুযোগ দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি জালাল উদ্দিন জানান, ইমাম সাহেবের বক্তব্যের একপর্যায়ে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন মুসল্লি হট্টগোল শুরু করেন। যদিও সামনের জুমায় বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল, তবে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে ইমাম সাহেবকে বেতন দিয়ে চলে যেতে বলা হয়।

মুসল্লিদের একাংশ মনে করেন, ইমাম সাহেবকে সসম্মানে বিদায় দেয়া উচিত ছিল এবং এভাবে বরখাস্ত করা অনুচিত হয়েছে। তারা ইমামকে পুনরায় মসজিদে ফিরিয়ে আনার দাবিও জানান। উৎস: কালবেলা ও ভোরের কাগজ।