শিরোনাম
◈ ‘বিন লাদেনের মতো দাউদ ইব্রাহিমও পাকিস্তানে লুকিয়ে আছেন’, জাতিসংঘের প্রতিনিধিকে ভারতের জবাব ◈ হঠাৎ ইরান সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের বিশাল সামরিক অভিযান, শক্তি প্রদর্শনে নতুন তৎপরতা ◈ হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে দাকোপ থেকে নৌপথে মোংলা বন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ সৌদিতে হামলার উত্তেজনার মধ্যেই দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু রাখল বিমান, গেলেন ৩৭৯ যাত্রী ◈ সাজেকে সড়ক অবরোধ ঘিরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, আটকা পড়েন পর্যটকরা ◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের পুরোনো বাস অপসারণসহ সরকারের যে চার উদ্যোগ ◈ ইরানের জনগণের অধিকার মেনে নিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, বন্ধ করতে হবে আগ্রাসন ও দাদাগিরি: প্রেসি‌ডেন্ট পে‌জেশ‌কিয়ান ◈ সৌদি আরব থেকে মার্কিন কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ শেষ মুহূর্তের গোলে বায়ার্নের মাঠে পয়েন্ট উদ্ধার আর্সেনালের ◈ এবার ইতা‌লির ক্লাব কোমোর কা‌ছে হারলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

প্রকাশিত : ০৭ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:১৪ রাত
আপডেট : ১২ মে, ২০২৫, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেয়ায় ইমাম বরখাস্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার পীরগাছি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. ওসমান গনিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জুমার নামাজের খুতবার বয়ানে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মাওলানা মামুনুল হকসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের কথা উল্লেখ করায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। গত শনিবার (৫ অক্টোবর) রাতে মসজিদ কমিটি মৌখিকভাবে তাকে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

স্থানীয় মুসল্লিদের মতে, গত শুক্রবার (৪ অক্টোবর) জুমার নামাজের সময় মাওলানা ওসমান গনি নবী-রাসুল ও পীর-মাশায়েখদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। এ সময় মসজিদে উপস্থিত কিছু মুসল্লি তার বক্তব্যে আপত্তি জানান এবং তাকে খুতবা দেয়ার সময় অপমানিত করেন। এরপর মসজিদ কমিটি তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়, যা মুসল্লিদের অনেকের কাছে অপমানজনক বলে মনে হয়েছে।

ভুক্তভোগী ইমাম মাওলানা ওসমান গনি জানান, তিনি ধারাবাহিকভাবে রাসুল (সা.)-এর জীবনী নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তার বক্তব্যে নবী মুসা (আ.) এবং হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ওপর হওয়া নির্যাতনের উদাহরণ তুলে ধরেন। এই প্রসঙ্গে তিনি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকের ওপর হওয়া নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই প্রসঙ্গ তুলে ধরার পর আমাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং পরের জুমার নামাজে উপস্থিত হয়ে বিদায় নিতে চাইলেও সেই সুযোগ দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি জালাল উদ্দিন জানান, ইমাম সাহেবের বক্তব্যের একপর্যায়ে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন মুসল্লি হট্টগোল শুরু করেন। যদিও সামনের জুমায় বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল, তবে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে ইমাম সাহেবকে বেতন দিয়ে চলে যেতে বলা হয়।

মুসল্লিদের একাংশ মনে করেন, ইমাম সাহেবকে সসম্মানে বিদায় দেয়া উচিত ছিল এবং এভাবে বরখাস্ত করা অনুচিত হয়েছে। তারা ইমামকে পুনরায় মসজিদে ফিরিয়ে আনার দাবিও জানান। উৎস: কালবেলা ও ভোরের কাগজ।

 

  • সর্বশেষ