শিরোনাম
◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৬ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিরপুর বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি ভুক্তভোগীদের

মো. রফিকুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা: ঢাকার মিরপুরে বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) মেট্রো সার্কেল-১ অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মালিকানা পরিবর্তন শাখার ইন্সপেক্টর আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী গাড়ির মালিকদের দাবি, এই কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে অফিসটি যেন দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পূর্বে মোটরযান পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আফজাল হোসেনের অধীনে “দুপুরে ফেল–সন্ধ্যায় পাশ” নামে একটি অনিয়মিত পদ্ধতি চালু ছিল। এতে অদক্ষ ব্যক্তিরাও সহজেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতেন, যা সড়ক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিযোগকারীরা মনে করেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, লাইসেন্স পেতে সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিতে হতো। এছাড়া মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অজুহাতে গ্রাহকদের হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে দালাল চক্রের মাধ্যমে গেলে একই কাজ সহজেই সম্পন্ন হয়।

এ অফিসে একটি সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট কাজ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারা অফিসের ভেতরে-বাইরে অবস্থান করে এবং বিভিন্ন দোকান বা আশপাশের স্থানে বসে অনলাইনে কাগজপত্র আদান-প্রদান করে থাকে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারির কারণে তারা বর্তমানে কিছুটা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ঘুষের টাকায় ঢাকায় একাধিক বাড়ি/ফ্ল্যাট ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক হয়েছেন। এছাড়া চাঁদপুরে কর্মরত অবস্থায়ও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল বলে সূত্র জানিয়েছে।

দুদকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলো যাচাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইন্সপেক্টর আফজাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলে পরে আর সাড়া দেননি।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়