সালেহ্ বিপ্লব: [২] চীনের কুনমিং-এ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে কর্মসূচি ছিলো পুষ্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন, শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, আলোচনা অনুষ্ঠান এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
[৩] আলোচনা অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম মহান ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্ব ও অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বলেন ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা পথ বেয়েই অর্জিত হয় মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি এবং এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে আসে বাঙালির চিরকাঙ্খিত স্বাধীনতা, যার নেতৃত্ব দিয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
[৪] স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি অনুসরণ করে, এ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীরা শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা পরিবেশন করে।
[৫] প্রথম সচিব (উপসচিব) বজলুর রশীদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কুনমিং, চীন।