শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২২, ০৮:১০ রাত
আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০২২, ০৮:১০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] লাউডোব-দিগরাজ খেয়াঘাটে সারাবছর যাত্রীদুর্ভোগসহ অভিযোগের শেষ নেই

গোলাম মোস্তফা: [২] লাউডোব দিগরাজ আন্তজেলা খেয়া ঘাটটির চরম দূর্ভোগ সারাবছরই লেগেই থাকে। এতলেখালেখি, এত নেতাদের দৌড়ঝাপেও কোন সমাধান আজও হলো না। বাঁশ ফেনানো নদীর চরে, ওর উপর দিয়ে, কখনও হাটু কাদা ভেংগে কোয়াটার কি.মি. চর ঠেলে ভাটার সময় নৌকায় উঠে দিগরাজ পার উঠে খুলনা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেতে একমাত্র এ পথটি দিয়ে। এই ঘাট থেকে ৫০ লক্ষ টাকা বছরে রাজস্ব সরকারের ঘরে গেলেও পাঁকা স্থায়ী পাকা ঘাটে দীর্ঘ ৩৫/৪০ বছরের মধ্যে করা সম্ভব হয়নি বা কেউ করেনি।

[৩] গত বছর নেতানেত্রীরা শত শত মানুষ নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে মাটি কেটে কাচা রাস্তা করার চেষ্টা করলেও সেটা বেশিদিন কোন উপকারে আসেনি। দাকোপের মধ্যে সবথেকে বড় নদী পশুর, এই বিশাল নদী পারাপারের এ ঘাটটি দিয়ে বাজুযা এলাকার ৫টি ইউনিয়নের হাজার হাজার লোক ঘাট দিয়েই পারাপার হয় কারন এঘাট দিয়ে পার হতে পারলে খুলনা,মোংলা,বাগেরহাট,রামপালসহ ঢাকা যাতাযাতের জন্য সহজ ও সময় অনেক কম লাগে বলে সকলে জানে। এদিকে এঘাটে দিয়ে উঠানামা এত কষ্টসাধ্য ব্যাপার হলেও পারাপারের বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ সারা বছর লেগেই আছে।

[৪] প্রভাবশালীমহল নানা সিষ্টেমে ঘাটটি বাগিয়ে নিয়ে সাধারন যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি আদায় বা চাষে লক্ষ লক্ষ টাকা লাভ করে থাকে। বর্তমানে চলছে মাসিক ডাক,তারমধ্যে আবার নানা সিষ্টেম কৌশল লুকায়িত বলে অনেকের মতামত ।বিভিন্ন সময়ে ঘাটের আদায়ের সাথে জড়িত ছিল এমন বেশ কযেকজন জানান,বছরে ৬০/৭০ লক্ষ টাকা থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত এ ঘাট থেকে লাভ করা সম্ভব বা করে থাকে বিধায় প্রশাসনের সাথে ভাল যোগাযোগ রক্ষা করে সকলের টার্গেট থাকে এ ঘাটটি সারাবছরের জন্য একবারে বাগিয়ে নেওয়া।

[৫] নানা সমস্যা নিয়ে কথা হয় ঘাট এলাকা লাউডোব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ যুবরাজের সাথে তিনি জানান চরের পরিধি এত বাড়ছে যে এমাসে যদি ৫০ হাত সাকো করি ৩/৪ মাস পরে দেখা যায় আরো ৩০ হাত চর বৃদ্ধি পেয়েছে এ কারনে বিষয়টি জটিল হয়ে যায়।তারপরও আমরা আরো লম্বা সাকো করার চিন্তা করছি,ওদিকে অভ্যন্তরিন নৌ পরিবহন সংস্থা নদির ভিতরে খুব বেশি দুর আবার ডুকতে দেয় না,এঘাটে নানা সমস্যা লেগেই আছে তবে আমি উদ্ধতন কতৃপক্ষ স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে আলাপ করে একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো,জোর দাবি জানাবো। সম্পদনা : ঝুমুরী বিশ্বাস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়