প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] খালেদা জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট সহানুভূতি দেখিয়েছেন: তথ্যমন্ত্রী

মিনহাজুল আবেদীন: [২] বৃহস্পতিবার (০৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪২ তম জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে এমন মন্তব্য করেন। ডিবিসি টিভি

[৩] বেগম খালেদা জিয়া এমন নিষ্ঠুর আচরণ করা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি যে সহানুভূতি দেখিয়েছেন জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন এবং দেখিয়ে যাচ্ছেন সেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি। খালেদা জিয়ার প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট সহানুভূতি দেখেছেন। বিএনপির এ জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন।’ আজকের পত্রিকা

[৪] বেগম খালেদা জিয়া এবং তার স্বামী জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে যে নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় সেগুলো কালিমা লেপন করেছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং হত্যাকারীদের তিনি পুনর্বাসন করেছেন। খালেদা জিয়াও বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের পুনর্বাসন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এক হত্যাকারীকে ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিরোধী দলীয় নেতা বানিয়েছেন। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যাতে না হয় সে জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করেছিলেন।’

[৫] তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকার সময় হাজার হাজার সেনাবাহিনীর জোয়ান এবং অফিসারকে বিনা বিচারে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে হত্যা করেছিলেন এবং লক্ষ লক্ষ আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিলেন। হাজার হাজার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীকে হত্যা করেছিলেন।’

[৬] খালেদা জিয়াও কম যাননি উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার পুত্রের পরিচালনায় ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা পরিচালনা করা হয়। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে অগ্নি সন্ত্রাসের রাজনীতির সূচনা করেছেন।’

[৭] রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া তো আদালত কর্তৃক দণ্ডিত আসামি। তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে ক্ষমার প্রসঙ্গটি আসবে। তিনি ক্ষমা চাইলে তখন রাষ্ট্রপতি বিবেচনা করতেও পারে নাও করতে পারে। তিনি ক্ষমা চাওয়ার পরে এই প্রসঙ্গটি আসবে।’

[৮] বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য দেওয়ার কারণে যে মামলা হয়েছে সেই মামলা প্রত্যাহার করার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব প্রমাণ করেছেন যে তারা অশোভন, অশালীন কথাবার্তা বলতে তাদের নেতাদের প্রশ্রয় দেয়। এতে বোঝা যায়, বিএনপির নেতারা অশালীন-অশোভন কথা যা বলছেন তা নেতাদের ইন্ধনেই বলছেন। না হলে ফখরুল সাহেব এমন দাবি করতে পারতেন না।’ কালের কণ্ঠ

[৯] আইডিইবির ৪২ তম সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছে। আমরা প্রথম শিল্প বিপ্লব থেকে ১০০ বছর এবং দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব থেকে ৮০ বছর পিছিয়ে ছিলাম। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লব থেকে যাতে আমরা পিছিয়ে না থাকি তাই অনেক আগে থেকেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান দিয়েছিলাম। তখন ইউকে, ইন্ডিয়াও সেই কথা বলেনি। আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতা। দেশের উন্নয়নের যে মহাযজ্ঞ এতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা কারিগরের ভূমিকা পালন করছেন।’ বার্তা ২৪
[১০] সম্মেলন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইডিইবির সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান। এ ছাড়াও সারা দেশ থেকে আগত সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত