প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সৈয়দা সাজিয়া আফরিন: রেহানা মরিয়ম নূর ইসলামিক ফেমিনিজমকে পোট্রে করতে চেয়েছে

সৈয়দা সাজিয়া আফরিন
মুসলিম ফেমিনিস্টরা ধর্মকে অউন করে নিজেই ব্যাখ্যা করে কোরআন, হাদিস ও ইসলামিক ইতিহাস। লিবিয়ার সিরিয়ার ও ইরানের মুসলিম ফেমিনিস্টরা লিখছেন, অ্যাক্টিভিজম করছেন যেভাবে, সেখানে ধর্মে পুরুষের একচ্ছত্র অধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। নারীকে দেওয়া পুরুষতান্ত্রিক অধিকারের সীমা বোল্ডভাবেই ছাড়িয়ে যান তারা। একটা ক্ষেত্রে আমি মুসলিম ফেমিনিস্টদের আলাদা করে পছন্দ করি। একদম বুনো বোল্ড। কারণ ধর্ম একটা কমিউনিটি, একটা পাওয়ার ব্যাংক, একটা রাজনীতি। সেটা মেয়েরা পুরুষকে ছেড়ে দেবে কেন? পয়েন্ট কী?

রেহানা মরিয়ম নূর ইসলামিক ফেমিনিজমকে পোট্রে করতে চেয়েছে, কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক সমাজের দেওয়া অধিকারের বাইরে যেতে চায়নি। ওই যে ফেমিনিস্ট হেটার্সরা বলে না? যে আমি ধর্ষণ সমর্থন করি না। নারীর ক্ষমতায়ন চাই কিন্তু ফেমিনিস্টদের পছন্দ করি না। গল্পকে শুধু গল্প ধরে নিলে সিনেমাটা অবশ্যই ভালো। নারীর জন্য সিনেমা। সিনেমার মেসেজ হিসাব করতে গেলে এখানে ফেমিনিজমের মোড়কে পুরুষতন্ত্রের গন্ধটা বেশি আসে। মানে নায়িকা এটুকু পর্যন্ত থাকলে পুরুষতন্ত্র সঙ্গে আছে। না হলে কিন্তু নেই। ফেমিনিজমের চায়ে পুরুষতান্ত্রিক বিশ্বাস খাইয়ে দিলে আমি খাবো না। এটা মুসলিম ফেমিনিজমের অপমান। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত