প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ‘উঠতি বয়সি কিছুু কিশোর পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন নামে গ্যাং গ্রুপ গড়ে তুলছে’

সুজন কৈরী: [২] উঠতি বয়সি কিছুু কিশোর মিলে পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন নামে গ্যাং গ্রুপ গড়ে তুলছে। আধিপত্য বিস্তার, সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ, মাদক, অবৈধ অর্থ লাভ, টেন্ডারবাজি ও প্রেম ইত্যাদি নিয়ে বিরোধের জেরে তারা অহরহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। অর্থের বিনিময়ে অর্থদাতার প্রতিপক্ষের ওপরও আক্রমণ চালাচ্ছে। এমনকি অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তারা। এসব কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধ করতে অভিভাবকদের সচেতনতার বিকল্প নেই।

[৩] শনিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অডিটোরিয়ামে ‘কিশোর গ্যাং, অপসংস্কৃতি এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

[৪] ‘সবার হোক একটাই পণ-কিশোর অপরাধ করবো দমন’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র‌্যাব-৪ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ সময় সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলো। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার।

[৫] মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং র‌্যাব-৪ এর পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর ঢাকা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আবু মাসুদ।

[৬] অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বাবা-মায়ের সন্তানকে সময় না দেওয়ায় বাচ্চাদের মন বিরুপ প্রভাব ফেলে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতন করা বৈধ নয়, কাউন্সিলিংয়ে জোর দিতে হবে।

[৭] অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করতে এবং কিশোর গ্যাং অপসংস্কৃতি রুখতে প্রধান বক্তা র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক ভিডিও ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করেন।

[৮] তিনি বলেন, শুধু আভিযানিক কার্যক্রম নয়, কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক সচেতনতাও জরুরি। সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন আমাদের জন্য একটি অ্যাসেট। এই অ্যাসেট ধরে রাখতে পারলে সন্তানদের বিচ্যুতি ঠেকানো সম্ভব। কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে পড়ার দায় সমাজের সবার রয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে ধাবিত করতে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা জাগিয়ে তুলতে সমাজকে অগ্রগামী হবার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো থেকে উদ্ভূত এই গ্যাং কালচারের অস্তিত্ব বাংলাদেশে থাকবে না। আমরা চাই, বিপথগামী কিশোরদের আঁধারের পথ থেকে আলোর পথে আনতে, তাদের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন ঘটাতে। সমাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এমন বয়োজ্যেষ্ঠদেরকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

[৯] তিনি বলেন, কিশোরদের বোঝাতে হবে, এই পথ ভুল পথ। সুস্থ বিনোদন ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনচর্চার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত