প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলার রুপ পেয়েছে হলুদ তরমুজ চাষে

শাহ ফয়সাল : কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের পুকুর পাড়ের পতিত জায়গায় বিষ ও কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ বিভিন্ন ফল ও সবজি বাগান গড়ে তুলেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গানম্যান সুবীর চন্দ্র দাস। পতিত জায়গায় হলুদ তরমুজ ও সবজি চাষে উপযোগী করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

সুবীর চন্দ্র দাসের পাশাপাশি উপজেলা আনসার বাহীনির সদস্যরা ও নিয়মিত হলুদ তরমুজ গাছ ও সবজি বাগান দেখাশোনা করে থাকেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলা পুকুরপাড়স্থ তিন পাশেই চোখে পড়ে হলুদ তরমুজের গাছ ও সবুজে ঘেরা বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফল।সবজি গাছের মধ্য রয়েছে,কুমড়া,লাউ,পেঁপে,বেগুন,সিম,ঢেঁড়শ ইত্যাদি।সবজি চাষি সুবীর চন্দ্র দাস বলেন, আমার ছোটবেলা থেকেই সবজি চাষের প্রতি জোক বেশি। আমি তখন থেকেই নিজ বাড়ির আশেপাশে বিভিন্ন ধরনের ফল, ফুলের গাছ লাগাতাম।সেই কারনে এবং সবাই যেন বিনামূল্যে এ সবজি খেতে পারে তাই আমি পতিত জায়গায় বিভিন্ন সবজি লাগিয়েছি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,সুবীর চন্দ্র দাস পতিত জায়গায় যে শাকসবজি উৎপাদন করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সুবীর চন্দ্র দাসের মত যদি আমরা সবাই বাসা বাড়ীর আঙ্গিনায় সবজি চাষ করি তাহলে আমরা বিষ ও কীটনাশকমুক্ত শাক সবজি খেতে পারব।যা মানব শরীরে পুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করবে।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বাবলু জানান,সুবীর চন্দ্র দাস একজন বিশাল মনের অধিকারী।তিনি ইউএনও’র গানম্যান হয়েও চাকুরীর পাশাপাশি স্বেচ্ছায় উপজেলার পতিত জায়গায় শাকসবজি চাষ করেছেন সেটা অন্য কোথাও দেখি নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুভাশিস ঘোষ সুবীর চন্দ্র দাসকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন,আমরা সকলে যদি ফল-শাকসবজি উৎপাদন করি তাহলে বাড়ির আঙিনা ও বিভিন্ন স্থানে পতিত জমি পড়ে থাকবে না। সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন উপজেলা এপ্রথম তরমুজ চাষ হয়েছে, অন্যরা দেখে উদ্বুদ্ধ হবেন।

সর্বাধিক পঠিত