শিরোনাম
◈ ‘জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবস ২০২৬’ পালনে দেশব্যাপী কর্মসূচি ◈ সৌদিতে আকামা নবায়নে নতুন সুযোগ পেলেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা ◈ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের আহ্বান ◈ শহীদের আত্মত্যাগে গড়া জাতীয় ঐক্য রক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ◈ ত্বক ফর্সাকারী ৮ ক্রিমে বিষাক্ত মার্কারি, ব্যবহার না করার আহ্বান ◈ সিঙ্গাপুরে চালু হলো প্রবাসীদের জন্য এনআইডি ও ভোটার নিবন্ধন সেবা চালু ◈ এবার নেইমার অবসরের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন ◈ মালয়েশিয়ায় তিন বাংলাদেশিকে হত্যা, সহকর্মী গ্রেপ্তার ◈ রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা চত্বরে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ, ঢামেকে আহত ৭ ◈ শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:২৬ রাত
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শোয়েব সর্বনাম: ‘পেন্সিলে আঁকা পরী’: অমিতাভ রেজাকে অকারণে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে

শোয়েব সর্বনাম: অমিতাভ রেজাকে অকারণে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। তিনি সিনেমা বানাইতে আসছেন, দুর্নীতি বা চুরি ডাকাতি করতে আসেননি। হুমায়ূন আহমেদের কাছ থেকে তিনি সিনেমা বানানোর মৌখিক অনুমতি নিয়েছেন। অনুদানে জমা দেওয়ার জন্য হুমায়ূনের পরিবার থেকে তিনি লিখিত অনুমতি সংগ্রহ করছেন। সরকারি অনুদান পাওয়ার পর আর্থিক ভাগ বাটোয়ারায় এই দুই পক্ষ একমত হইতে পারেননি, ফলে অমিতাভ সিনেমা বানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছেন। এই আর্থিক ভাগ বাটোয়ারা অনুদানের আগেই করাটা একটু ডিফিকাল্ট ছিলো, যেহেতু অনুদানের নিশ্চয়তা আগে থেকেই থাকে না। অনুদান তিনি নাও পাইতে পারতেন। এতে অমিতাভ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন সন্দেহ নেই। নিয়ম অনুযায়ী তিনি পরবর্তী দুই বছর অনুদানের অ্যাপ্লাই করতে পারবেন না।
কোন চলচ্চিত্রকার দুইবারের বেশি অনুদান নিতে পারেন না, অমিতাভও একবারের সুযোগ হারাইলেন।

ছবিটার জন্য তিনি দীর্ঘদিন কাজ করছেন, মেধা শ্রম ও অর্থ ব্যয় করছেন। সেগুলোও ক্ষতি। সুদসহ টাকা ফেরত দিতে হবে, এইটাও আর্থিক ক্ষতি। অন্যদিকে, হুমায়ূন আহমেদের পরিবারও যথাযথ আর্থিক মূল্যয়ন না পাওয়ায় অনুমতি দিতে পারতেছে না। এখানে দুই পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত। তার চেয়েও বড় ক্ষতিগ্রস্ত হইলো চলচ্চিত্রের দর্শকেরা। অমিতাভ রেজার প্রথম চলচ্চিত্র আয়নাবাজি দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে। এই ছবিটাও ভালো হওয়ার কথা। তা আর হইলো না। আমরা একটা ভালো ছবি দেখার সুযোগ হারাইলাম। এইখানে সমস্যাটা আসলে বাজারের। এই দেশে একটা সিনেমার পেছনে বিনিয়োগ করে খুব বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব না। ইন্ডিয়াতে একশ কোটি টাকা বাজেটে প্রতি সপ্তাহে সিনেমা বানানো হচ্ছে, আর বাংলাদেশ সরকার অনুদান দিবে ৬৫ লাখ, পরে আরও কিছু প্রোডিউসার মিলে টেনে-টুনে দেড় কোটি। এই টাকায় সিনেমা হয়। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়