শিরোনাম
◈ গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দার বৈঠকের অভিযোগ, প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে জামায়াতের চ্যালেঞ্জ ◈ ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী, রিয়াদ বিমানবন্দরে বুধবার থেকে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা ◈ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতের সময় এগিয়ে এসেছে, বাংলাদেশে ৩ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ জাপানের বিগ-বি পরিকল্পনা কী, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং ভারতকে যুক্ত করতে চায় কেন? ◈ মাদুশাঙ্কার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ধস পাকিস্তানের, ফাইনা‌লে শ্রীলঙ্কা ◈ আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ কর‌বে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ বুধবার মিরপুরে বাংলা‌দেশ-ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ সি‌রি‌জের প্রথম টেস্ট ◈ জাপানের চাকরির বাজারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:১৭ সকাল
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:১৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভারতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ভোটপ্রক্রিয়া থেকে বাদ রাখতে কমিশনে আর্জি বিজেপির

রাশিদুল ইসলাম : [২] ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর উপনির্বাচন। এই কেন্দ্রে ভোট লড়ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ফলে প্রশাসনকে দিয়ে শাসক দল ভোটারদের উপর ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে আশঙ্কা গেরুয়া শিবিরের। সোমবার দক্ষিণ কলকাতার এই কেন্দ্র সহ জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে কমিশনের কাছে একগুচ্ছে দাবি-দাওয়া পেশ করে বিজেপি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

[৩] তবে, কমিশনের কাছে পদ্ম বাহিনীর দরবারের মূল ফোকাস অবশ্যই ভবানীপুর। এখানে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু করতে মূলত চারটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছে বিজেপি।

[৪] কমিশনের কাছে যে চিঠি বঙ্গ বিজেপি নেতারা দিয়েছেন সেখানে আবেদন জানানো হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর যে তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট রয়েছে সেখানে সব বুথের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। প্রতিটি বুথেই সিআরপিএফ-কে নিরাপত্তায় রাখতে হবে। তিন কেন্দ্রে মোট ১২০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন। বুথ বা নির্বাচনী কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে কলকাতা বা রাজ্য পুলিশের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। ভোটের বাকি আর মাত্র ১৭ দিন। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারিও নিশ্চিত করা হোক। কারণ রাজ্য বা কলকাতা পুলিশ শাসক দলের অনুগামী হয়ে কাজ করতে পারে। অতীতে এর একাধিক উদাহরণ রয়েছে।

[৫] বিজেপির দাবি, যেসব কেন্দ্রগুলিতে বিধানসভা ভোট রয়েছে, সেখানে কোনও সরকারি আধিকারিকের কাজের মেয়াদ তিন বছর পেরিয়ে গেলে তাঁকে বা তাঁদের অবশ্যই অন্যত্র বদলি করতে হবে। রাজ্য সরকারি সব কর্মীকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় থেকে বাদ দিতে হবে, বিশেষ করে তাদের সেক্টর অফিসার ও ভোট কেন্দ্রের মধ্যে কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজে নিয়োগ করা যাবে না। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ভোটের কাজে নিয়োগ করা হোক। এবার মুখ্যমন্ত্রী নিজে প্রার্থী। রাজ্য সরকারি কর্মীদের এক্ষেত্রে ভোটে প্রভাব বিস্তারের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে।

[৬] এছাড়াও আবেদনে বলা হয়েছে যে, কোভিড বিধিকে গুরুত্ব দিয়ে এই নির্বাচনে ভোট কর্মী ছাড়া যেন অন্য কাউকে বুথের মধ্যে বসতে দেওয়া না হয়। প্রার্থীর এজেন্টদের যেন বুথের বাইরে বসার আয়োজন করা হয়।

[৭] পাশাপাশি বিজেপির আশঙ্কা, সংক্রমণের কথা বলে কলকাতা পুর এলাকার মধ্যে অনেক বহুতল, আবাসন, বস্তিকে কনটেনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করতে পারে রাজ্য প্রশাসন। যেসব অঞ্চলে তৃণমূলের ভোটার কম সেখানেই এই পদক্ষেপের আশ্রয় নিতে পারে শাসক শিবির। এই বিষয়টিকেও যেন কড়া নজরে রাখে কমিশন।

  • সর্বশেষ