শিরোনাম
◈ নারী ক্ষমতায়নে সরকারের নতুন সামাজিক চুক্তি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কারা পাবেন?  ◈ প্রথম অধিবেশন বসতে পারে ২৬ ফেব্রুয়ারি, কে বসবেন সভাপতির আসনে? ◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৫১ রাত
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর বাণিজ্য ও কানেকটিভিটি বাড়াতে চায় ভারত

মাছুম বিল্লাহ: [২] বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আট রাজ্যের রেল, সড়ক ও জলপথে যোগাযোগ, বাণিজ্য বাড়ানো এবং যৌথ বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে চায় দেশটির সরকার।

[৩] ইকোনমিক্স টাইমস ও আউটলুক ইন্ডিয়া এ খবর দিয়েছে। পত্রিকাটি জানায়, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বৃহস্পতিবার আসাম রাজ্যের গভর্নর জগদীশ মুখীর সঙ্গে সাক্ষাতে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশে হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম আসাম সফরে গেছেন বিক্রম দোরাই স্বামী।

[৪] বৈঠকে আসামের রাজ্যপালকে সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশেষ করে যোগাযোগ, বাণিজ্য জোরদার করার জন্য বাংলাদেশে ভারতের প্রকল্পগুলি সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের আসাম সফরের সময় রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে হাইকমিশনারকে অবহিত করেন।

[৫] আসামের রাজ্যপাল বর্তমান বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস এবং সহযোগিতার উপর ভিত্তির করে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে। এটাকে শক্তিশালী করতে আসাম আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ বিষয়ে হাইকমিশনার বলেন, উত্তর -পূর্ব দিকে বিশেষ জোর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৃহত্তর যোগাযোগের প্রয়োজন রয়েছে।

[৬] গভর্নর আরও বলেন, আসাম সরকার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, কানেকটিভিটি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে আগ্রহী। তিনি বলেন, এতে করে সীমান্তের দুই পাশের মানুষ ত্বরিত আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সুফল পাবে।

[৭] জগদীশ মুখী বলেন, শিক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর যেখানে উভয় দেশ আরো সহযোগিতা করতে পারে এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির উপর জোর দিতে হবে।

[৮] তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে ইন্টারনেট গেটওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির জন্য সংযোগ এবং ব্যান্ডউইথ সুবিধার দিকে মনোনিবেশ করার জন্যও মুখী দোরাইস্বামীকে আহ্বান জানান। সম্পাদনা : ভিকটর রোজারিও

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়