প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মিনুকাণ্ডে বায়েজিদ-কোতোয়ালীর দুই তদন্ত কর্মকর্তার ডাক পড়লো হাইকোর্টে

এম আর আমিন: [২] হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।

[৩] মিনুর মৃত্যু এবং কুলসুমীকে গ্রেপ্তার, নিহত মিনুর সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং গ্রেপ্তার কুলসুমীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ কেসডকেট নিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

[৪] ওই দুই কর্মকর্তা হলেন সিএমপির কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক জুবায়ের মৃধা ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপপরিদর্শক খোরশেদ আলম।

[৫] চট্টগ্রাম কারাগারের মহিলা ওয়ার্ড পরিদর্শনের সময় কুলসুমের বদলে মিনুর প্রায় তিন বছর সাজা ভোগের বিষয়টি বেরিয়ে আসে। কয়েদি রেজিস্ট্রারের ছায়ালিপিসহ গত ২১ মার্চ চট্টগ্রামের আদালতে আবেদন দেন চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার। পরদিন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ (চতুর্থ আদালত) আদালতে মিনুকে হাজির করা হয়।

[৬] সেই মিনুর ট্রাকচাপায় নিহত থেকে দাফন নিয়ে নানা প্রশ্ন আর এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ মার্চ চট্টগ্রামের আদালত থেকে চিঠিসহ উপনথি গত ২৪ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছায়। নথিতে যুক্ত প্রতিবেদনের ভাষ্য, প্রকৃত আসামি কুলসুমের পরিবর্তে মিনু আক্তার সাজা ভোগ করছেন। অবশ্য বিচারিক আদালতের সাজার বিরুদ্ধে কুলসুম হিসেবে মিনু ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টে আপিল করেন। উপনথি পৌঁছার পর বিষয়টি হাইকোর্টে শুনানির জন্য ওঠে।

[৭] গত ৭ জুন হাইকোর্ট মিনু আক্তারকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে প্রকৃত অপরাধী কুলসুম আক্তারকে গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। এ দিকে হাইকোর্টের আদেশের পর গত ১৬ জুন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান মিনু আক্তার। কারামুক্তির পর ৪ জুলাই দুর্ঘটনায় নিহত হয় মিনু। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ২৯ জুন একটি মামলা হয়। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। আর খুনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রকৃত কুলসুমকে ২৯ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়।

[৮] গ্রেপ্তারের পর প্রতারণার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় কুলসুমের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। তিনি জবানবন্দিও দেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুবায়ের মৃধা। যেসব আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, তাঁদের পক্ষে আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন আহমদ সময়ের আরজি জানান। শুনানি নিয়ে আদালত নথিসহ পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি যেসব আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীর কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, তাঁদের ১ সেপ্টেম্বর ভার্চ্যুয়ালি আদালতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত