সমীরণ রায়: [২] পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের পরামর্শকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। শত সংকটেও তিনি আস্থা ও বিশ্বাসে অবিচল ছিলেন। তিনি দলের দুঃসময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতাকর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা যুগিয়েছেন এবং অনেককে সাধ্যমতো অর্থ সাহায্য করেছেন।
[৩] তিনি বলেন, বাঙ্গালির ইতিহাসে বঙ্গমাতার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথে সহধর্মিণী ও সহযাত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পরই বঙ্গমাতার অবদান উল্লেখযোগ্য।
[৪] এনামুল হক শামীম বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সব কার্যক্রম ও পদক্ষেপ বাস্তবায়নে নেপথ্যে ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তিনি শুধু জাতির পিতার স্ত্রী ছিলেন না, ছিলেন রাজনৈতিক দার্শনিক, পথ প্রদর্শক ও ভরসার সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গমাতার ছিল বিজ্ঞ মতামত।
[৫] তিনি আরও বলেন, সবাই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের কথা জানি। রাজনৈতিকভাবে বঙ্গবন্ধুর উপর স্বাধীনতা ঘোষণার একটি চাপ ছিলো। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের কড়া দৃষ্টি ছিলো। অথচ বঙ্গবন্ধু তখন স্বাধীনতার ডাক দিলে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত হতেন। ৭ মার্চের দিন অনেকে অনেক কথা বলেছিলেন। জনসভায় যাওয়ার আগে বঙ্গমাতার পরামার্শ চাইলেন। বঙ্গমাতা বললেন, তুমি সারাজীবন মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছ। মন থেকে যা বলতে ইচ্ছা করে-তাই বলবে। তাঁর পরামর্শের যথার্থ প্রতিফলন দেখা যায় ঐতিহাসিক এ ভাষণে।
[৬] মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনে বঙ্গমাতা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতায় সচিবালয় নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
[৭] এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. ফারজানা হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপ উপচার্য ড. নুরুল আলম ও অধ্যাপক শেখ মো. মুনজুরুল।