প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গাইবান্ধায় পানির অভাবে পাট পঁচাতে না চাষীরা, আগাম পাটের আমদানি ও মূল্য কম

রফিকুল ইসলাম: [২] বর্ষা মৌসুমে এবার বৃষ্টির প্রবণতা কম থাকায় এবং শেষ পর্যায়ে একেবারেই বৃষ্টি না থাকায় এবং প্রচণ্ড গরম ও প্রখর রোদ্র তাপের কারণে ইতোমধ্যে গ্রামাঞ্চলে খাল-বিল, ডোবাগুলে তে পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে গাাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাট চাষীরা পানির অভাবে পাট পঁচাতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছে। এদিকে হাট-বাজারগুলোতে আগাম চাষ করা পাটের আমদানি শুরু হয়েছে। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় সঠিক মূল্য না পাওয়ায় পাট চাষীরা পাট বিক্রি করতে পারছেন না।

[৩] বিশেষ করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নদী, নালা, খাল, বিল, পুকুর, ডোবা ও নিচু এলাকায় পানি না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পাট পঁচানোর জাগগুলো। এতে এই এলাকায় পাট উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন পাট চাষীরা। অনেক এলাকায় স্যালো মেশিন ও মটার দিয়ে পানি দিচ্ছে পুকুর ও নিচু এলাকায়। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি নিচে নেমে যাওয়ায় শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় পাট জাগ শুকনা স্থানে পড়ে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে।

[৪] প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৪ হাজার ২৭২ হেক্টর জমিতে তোষাপাট চাষাবাদ হয়েছে। বিশেষ করে বেশীর ভাগ পাট চাষ হয়েছে তিস্তার চরাঞ্চলে। ফলনও ভালো হয়েছে।

[৫] এদিকে যে সমস্ত এলাকায় আগাম পাট চাষ করা হয়েছে সেসব এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাট বাজারে আনতে শুরু করেছে। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় সঠিক মূল্য পাচ্ছে না। বিশেষ করে সদর উপজলার কামারজানি, ফুলছড়ি, সাঘাটার পাটের হাট-বাজারগুলো অনুসন্ধান করে জানা গেছে এখন প্রতিমণ তোষাপাট গ্রেড অনুযায়ী ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৮শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

[৬] উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তোষাপাটের ফলন ভাল হয়েছে। তবে নদীতে এবং নিচু এলাকায় পানি না থাকায় পাট সঠিকভাবে পঁচাতে না পেরে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। কারণ বেশী পরিমাণ এবং পরিস্কার পানি না থাকলে পাট পঁচানোর জাগগুলোতে সঠিকভাবে পাট পঁচানো সম্ভব হবে না। ফলে পাটের মান ও গুণাগুন নষ্ট হয়ে যাবে। এতে উপর্যুক্ত মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা রয়েছে কৃষকদের। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত