শিরোনাম
◈ ৯৯৯-এ কল পেয়ে সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার, পকেটে আইফোন, হাতে ঘড়ি—যেভাবে শনাক্ত হলো ◈ হায়দরাবা‌দে টেনিসের জমিতে মসজিদ গড়ছেন সানিয়া মির্জা, বিতর্ক তুঙ্গে! ◈ হাসিনার পালানোর ভিডিও ধারণ নিয়ে আলোচনায় আসা সাবেক লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার ◈ মির্জা ফখরুলের ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে ◈ নৌশাদ মুসার কো‌চিং‌য়ে বাংলা‌দে‌শের সাফ ফুটব‌লে ভার‌তের অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশ নি‌বে ◈ এবার ব্যালন ডি’অরে মেসির পঞ্চম স্থান নিয়ে কটাক্ষ ◈ বছর শেষে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ◈ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ◈ ‘বিএনপিকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে গ্রেপ্তার হাওয়া নারীর জামিন ◈ জিন্সের প্যান্ট ও অন্তর্বাসে সেলাই করে ১২ কেজি স্বর্ণ পাচার, দুই চীনা যাত্রী আটক

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৪৬ রাত
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৪৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবিএম কামরুল হাসান: সীমিত আকারে পনেরো মাস লকডাউনের চেয়ে পনেরো দিনের কড়া লকডাউন শ্রেয়

এবিএম কামরুল হাসান: কোভিডকাল চলছে গত পনেরো মাস। পুরো সময়টা বিধি নিষেধের বেড়াজালে বাংলাদেশ। কখনো সীমিত, কখনো শিথিল, কখনো বা কড়া, সর্বাত্মক। সরকার বলছে চলাচলে বিধি নিষেধ। পাবলিক বলছে লকডাউন, কাটডাউন বা শাটডাউন। যে নামেই ডাকুন না কেন, জনগণ ভোগান্তিতে রয়েছে। কখনো সে ভোগান্তি সীমিত, কখনো সর্বাত্মক। সরকার থেকে বলা হচ্ছে, জনগণ কথা শোনে না, স্বাস্থ্যবিধি মানে না। একথা যেমন সত্যি, তেমনি এটাও সত্যি সরকারিভাবে বিধি নিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি করেই দায়িত্ব শেষ। তদারকি নেই, সমন্বয় নেই। প্রজ্ঞাপন বলছে, গণপরিবহন চলবে না, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। বাস্তবে পাটুরিয়াতে ফেরি চলছে।

চলাচলে বিধি-নিষেধের মধ্যে যমুনা ব্রিজে রেকর্ড পরিমাণ টোল আদায় হয়েছে। রোজার ঈদে কোটির অধিক মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। লকডাউন বা চলাচলে বিধিনিষেধ যতোই বাড়ছে, ঢাকা শহরে যানজট ততোই বাড়ছে। সমানুপাতিক হারে বাড়ছে সংক্রমণ, মৃত্যু। বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি। এভাবেই চলছে গত পনেরো মাস। অথচ নিদেনপক্ষে পনেরো দিনের সর্বাত্মক এবং কড়া লকডাউন কার্যকর করলে সংক্রামণের চেইন ভাঙা সম্ভব। মানুষের ভোগান্তি পনেরো দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতো। সেক্ষেত্রে কোন সেক্টরকেই সীমিত আকারের সুযোগ দেওয়া যাবে না, যতোই তারা স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলুক। সরকারকেই এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কড়া লকডাউনে পনেরো দিন, নাকি ঢিলেঢালা লকডাউনে আরও পনেরো মাস। মানুষ কি সীমিত পরিসরের ভোগান্তিতে থাকবে আরো পনেরো মাস, নাকি কঠিন ভোগান্তিতে থাকবে পনেরো দিন?

  • সর্বশেষ