প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনায় করোনা ইউনিটে আরো ৩২ জনের মৃত্যু

হ্যাপি আক্তার: [২] রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় ৮ ও উপসর্গে ৮ জন মারা গেছেন। [৩] বুধবার (২৩ জুন) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ৮, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩, নাটোরের ২, নওগাঁর ২ ও ঝিনাইদহের ১ জন।

[৩]  উপপরিচালক আরও জানান, করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাজশাহীর ৫, নাটোরের ১, নওগাঁর ১ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১জন। উপসর্গে মারা গেছেন রাজশাহীর ৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২, নাটোরের ১, নওগাঁর ১ ও ঝিনাইদহের ১ জন রয়েছেন। রোগীদের ভর্তি ও সংক্রমণের বিষয়ে তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৬০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪২ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৮১ জন এবং সন্দেহভাজন ও উপসর্গ নিয়ে ২২৯ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে ৩০৯টি শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৪১০ জন, যা আগের চেয়ে ১৭ জন বেশি।

[৪] করোনা পরীক্ষার বিষয়ে তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালের পিসিআর মেশিনে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৫ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। আর মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে ৩৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪১ জন করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।

[৫] চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৩৬ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৫৬ হাজার ৬৩৩ জন।মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ জন। বুধবার (২৩ জুন) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। এদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে ১ হাজার ৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৬৩টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৩৯১টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩১টি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

[৬] খুলনায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা যেমন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার তিন করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আরও ১৩ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল থেকে বুধবার (২৩ জুন) সকাল পর্যন্ত এসব রোগীর মৃত্যু হয়। মৃত ১৩ জনের মধ্যে রয়েছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছয়জন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে একজন ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছয়জন। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিসিৎসক (আরএমও) ডা. সুভাষ রঞ্জন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ডা. রাশেদ ও গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. গাজী মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

[৭]  খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছয়জন হলেন- বাগেরহাটের আফজাল শেখ (৬২), নড়াইলের নির্মল কান্তি সাহা (৭৯), যশোরের ভানু বেগম (৬০), খুলনার মো. সোহরাব শেখ (৬৮), সামসুর আলম (৫৮) ও আনোয়ারা (৫৮)। আর খুলনা জেনারেল হাসপাতালে মানা যান  খুলনার হোসনে আরা (৬০)। গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত ছয়জন হলেন- খুলনার মনিরুল ইসলাম (৬২), জালাল আহমেদ (৬৫),  সামসুল হক (৪৫) ও মাহবুবুর রহমান (৯৫), যশোরের জাকির হোসেন (২৯), বাগেরহাটের জোসনা রানী (৫৬)। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৭১ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছে ৩০৫ জন। এ জেলায় আক্রান্তের হার ৩৯ শতাংশ।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত