প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গ্রামের অসহায় মানুষের পাশে তরুণ স্বেচ্ছাসেবক জানিফ

আল আমীন: [২] করোনা মহামারির নীরব বিস্ফোরণে নিস্তব্ধ করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। থেমে গেছে বিশ্বের অর্থনৈতিক চাকা। অর্ধাহারে-অনাহারে কাটছে শত শত মানুষের জীবন। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী, স্বাস্থ্যকর্মী বা জনপ্রতিনিধিসহ দিন-রাত আতঙ্কে থাকেন তখন সাধারণ মানুষ কী করবে তা ভাবিয়ে তুলে। নিজেদের ভালোবাসার মানুষগুলো এ মহামারি বিস্ফোরণ থেকে মুক্ত থাকতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। ঠিক এসময় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন গঠন করে একদল স্বেচ্ছাসেবক। উপজেলা প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে গত বছরের এপ্রিল থেকে চলমান সময়েও স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষের সুরক্ষায় পাশে দাঁড়াচ্ছে।

[৩] এমনি এক যুবক উপজেলা প্রশাসনের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে খবরে পিছনে থেকে নিজের জীবনকে বাজি রেখে প্রতিনিয়ত করোনা যুদ্ধে মানুষকে সুরক্ষা দিতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। কাজকে ভালোবেসে স্বেচ্ছায় মানুষের পাশে থাকাটাই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন এই যুবক। উপজেলা প্রশাসনের আন্তরিকতায় নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক টিমের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে শুরু থেকেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

[৪] কখনও প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে, আবার কখনও করোনা আক্রান্ত রোগীর বাসায় গিয়ে খোঁজ- খবর নেওয়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার আছে কি না খোঁজ নিয়ে পাশে দাঁড়ান জানিফ আহমেদ। বাসা- বাড়িতে গিয়ে কাউকে না পাওয়া গেলেও তাদের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ রাখেন এই যুবক। সাধারণ মানুষসহ মসজিদ ও মন্দির গিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা রাখতে মাস্ক পরিধান করার পরামর্শসহ নানান নিয়মাবলী দিতেন তিনি। এ পর্যন্ত তিনি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধ্যমে ২০০টি নিম্নবিত্ত ও অসহায় পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন। জানিফ আহমেদ এ বিষয়ে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধারা নয় মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পারে তাহলে আমরা কেন অল্প সময়ের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে পারবো না। আমরা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তবে অদৃশ্য করোনা যুদ্ধ দেখছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত