শিরোনাম
◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ জাতীয় জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট ◈ নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় যাঁরা ◈ নতুন চাকরি পেলেন সদ্যসাবেক প্রেস সচিব শফিকুল

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২১, ০৩:১৯ রাত
আপডেট : ২২ জুন, ২০২১, ০৩:১৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কী এই ‘গোল্ডেন ব্লাড’, বিশ্বের মাত্র ৪৩ জনের শরীরে আছে

নিউজ ডেস্ক: মাত্র এক ফোঁটা রক্তই পারে একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে। আবার তেমনই এক ফোঁটা রক্তই কেড়ে নিতে পারে জীবন। প্রতিটি মানুষেরই রক্তের গ্রুপ পৃথক পৃথক হয়ে থাকে। তবে জানেন কী, এমন রক্তের গ্রুপ রয়েছে যা কেবল গোটা বিশ্বের ৪৩ জন ব্যক্তির শরীরে রয়েছে। নাম, গোল্ডেন ব্লাড। সাধারণ মানুষদের রক্তের সঙ্গে এই গোল্ডেন ব্লাডের মধ্যকার থাকা পার্থক্য জানলে আপনিও অবাক হবেন।

গোল্ডেন ব্লাড, নামটাই হয়তো অনেকে প্রথমবার শুনলেন। এটি যাদের শরীরে রয়েছে তাদের আরএইচ সিস্টেমের কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না। কিন্তু অ্যান্টিজেন ছাড়া কোনো মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা কতটুকু সম্ভব। তারপরও বিশ্বের যে ৪৩ জনের শরীরে এই রক্ত রয়েছে তারা বেঁচে রয়েছেন।

সাধারণ মানুষদের রক্তের সঙ্গে এদের রক্তের গঠনগত অনেক পার্থক্য রয়েছে। প্রায় সকল মানুষের শরীরের রক্তে ১৬০টি অ্যান্টিজেন বিদ্যমান থাকবেই। তবে এই ৪৩ জনের রক্তে অ্যান্টিজেনের সংখ্যা ৩৪২টি। এ ধরনের রক্তকে বলা হয়ে থাকে আর এইচ নাল ব্লাড।

১৯৩৯ সালে প্রথম এ রক্তের কথা চিন্তায় আসে গবেষকদের। এটা কেবলই তত্ত্ব ছিল। কোনো ব্যক্তির শরীরে যদি আরএইচ সিস্টেমের অ্যান্টিজেন না থাকে তাহলে তার রক্তের গ্রুপ আর-এইচ নাল হবে। কিন্তু এটা যে কখনো বাস্তবে সম্ভব হবে তা কখনো কল্পনাও ছিল না। ১৯৬১ সালে প্রথমবারের মতো একজন অস্ট্রেলিয়ান নারীর শরীরে এই রক্ত শনাক্ত হয়। বিশ্বে এখন পর্যন্ত পাওয়া ৪৩ জনের কারো রক্তের সমস্যা হলে তাদের অনেক সমস্যার শিকার হতে হয়।

জানা গেছে, পরিবার থেকে গোল্ডেন ব্লাডের ব্যক্তিদের উপর অতিরিক্ত খেয়াল রাখা হয়। কেননা, অতি দুর্লভ রক্তের ধারকদের পরিচয়ও সংরক্ষণে রাখা হয় ব্লাড ব্যাংকে। সূত্র: এশিয়ানেট নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়