প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চাল, তেল-পেঁয়াজের পর এবার বেড়েছে ডিম, মুরগি ও মাছের দাম

শাহীন খন্দকার: [২] দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে বাড়তি সব ধরনের চালের দাম। সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহের অজুহাতসহ মিল মালিকদের নানা কারসাজির কারণেই চালের দাম বাড়তি বলে মনে করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধানের দাম বেশি থাকার কারণে সব ধরণের চালের দাম বেড়ছে। এ ছাড়া লকডাউনের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চাল আসতে পারছে না। যে কারণেও চালের দাম বাড়ছে।

[৩] দোকানিরা জানালেন, প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি করছি। খোলা সয়াবিন তেলের কেজি ১৩৫ টাকা আর পাঁচ লিটার বোতল বিক্রি করছি ৬৯০ টাকায়। চার দিন আগে ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৬৬০ টাকায়, এখন সেই তেল বিক্রি হচ্ছে ৬৬৮ টাকায়। বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুদিন আগে যে মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি, এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা দরে।

[৪] আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। শুক্রবার রাজধানীর মোহম্মদপুর কৃষি মার্কেট, খীলজি রোড, নূরজাহান রোড এলাকার ফুটপাতসহ বিভিন্ন বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ সব তথ্য পাওয়া গেছে। কৃষি বাজার সবজি বিক্রেতা বাদশাহ এবং ফুটপাত সবজি বিক্রেতা শরিফ জানান, সবজির দাম কোনো সময় এক রকম থাকে না। করোনার কারনে সরবারহ কম থাকায় দাম বেড়ে যায়।

[৫] দ্বিতীয়ত সবজি কাঁচামাল পঁচনশীল, প্রতিমনে পঁচে যায় প্রায় ৫ কেজির মতো। সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা করে। বাজারে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে আদার দাম। কেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০টাকা। পুঁইশাক, লাউশাক, কলমিশাক, ডাটাশাক, লালশাক ও পাটশাক আঁটিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২৫ টাকায়।

[৬] এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। মুরগি ব্যবসায়ীরা জানান, গত শুক্রবারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করেছি ১২০ টাকা কেজি দরে। হঠাৎ বেড়ে গেছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা।

[৭] গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় আর খাশির মাংসের কেজি ৮৫০ টাকা। প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। ইলিশসহ সব ধরনের মাছের সরবরাহ কম থাকায় দাম আকাশ ছোঁয়া। বাজারে ইলিশের সরবরাহ নেই বললেই চলে। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত