প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব বাড়ানোর পরামর্শ অস্ট্রেলিয়ার নীতি নির্ধারক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] দেশটির নতুন কৌশলপত্র অনুযায়ী তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল উত্তর-পূর্ব ভারত মহাসাগর।

[৩] আঞ্চলিক বিভিন্ন সঙ্কট, নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটে প্রকাশিত কিক-স্টার্টিং এ নিউ স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডিফেন্স পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ শীর্ষক এক মন্তব্য প্রতিবেদনে এসব কথা লিখেছেন ডেভিড ব্রিউস্টার। তিনি অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কলেজের সিনিয়র গবেষক।

[৪] ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বিষয়ক কৌশল আপডেট করা হয়েছে। এতে শনাক্ত করা হয়েছে যে, অস্ট্রেলিয়ার অগ্রাধিকারের এলাকা হবে উত্তর-পূর্বে ভারত মহাসাগর। কিন্তু এই এলাকাটি অস্ট্রেলিয়ার জন্য নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে অনুন্নত। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কলেজ প্রকাশিত এক নতুন রিপোর্টে এই অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থ যাচাই করে দেখা হয়েছে । বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পর্ক আরো বৃদ্ধি করতে হবে।

[৫] স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথমে যেসব দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম অস্ট্রেলিয়া। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে যথাযথভাবে উন্নত করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। এশিয়ায় বড় অর্থনৈতিক সফলতার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র এই দেশটি পরিণত হয়েছে মধ্যম আয়ের দেশে। কোভিড-১৯ সঙ্কটের আগের বছরগুলোতে এখানে বার্ষিক অর্থনৈতিক গড় প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা প্রায় ৭ ভাগ থেকে ৮ ভাগ। এই দেশটি হতে পারে এশিয়ার অর্থনীতির নতুন ‘টাইগার’ এবং অস্ট্রেলিয়ার একটি মূল বা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার।

[৬] বিদেশি চাপের প্রতি ভারসাম্য বজায় রেখে উন্নয়ন সাধন করছে বাংলাদেশ। তাই এই দেশটির স্থিতিশীলতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে সমর্থন করতে হবে অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থের জন্যই। বঙ্গোপসাগরের পাড়ে ভারত ও চীনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিন্দুতে অবস্থিত বাংলাদেশ। এখানে ভারত ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

[৭] মিয়ানমারে প্রলম্বিত হয়েছে গণঅসন্তোষ। এই অবস্থা মাদক পাচার এবং শরণার্থী মুভমেন্টের বড় একটি ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। অস্ট্রেলিয়ায় আফিমের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মিয়ানমার। এখন মেথামফেটামিনও যাচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমারে আইনশৃংখলা ভেঙে পড়লে এসব মাদক দ্রব্যে সয়লাব হয়ে যাবে অস্ট্রেলিয়ার মার্কেট। এসব হুমকি মোকাবিলার জন্য আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে ক্রমবর্ধমান হারে বাংলাদেশকে প্রয়োজন হতে পারে অস্ট্রেলিয়ার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত