প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দিপু তৌহিদুল: করোনার ‘ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট’ গোটা দেশেই ছড়িয়ে গেছে?

দিপু তৌহিদুল: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হতে করোনাভাইরাসের ‘ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট’ গোটা দেশেই ছড়িয়ে গেছে, সেটা মিডিয়ার ছিটাছিটা পিচ্চি আকারের খবরে বোঝাই যাচ্ছে। ধারণা করছি, আগামী দিন পনেরোর মধ্যে এটার নির্মমতার একটা বাস্তব চিত্র দেখা যেতেও পারে। যদিও করোনার এই আক্রমণটা নিয়ে গরিব মানুষদের কোনো চিন্তার কোনো কারণ নেই, তার প্রমাণ হিসেবে ইতোমধ্যেই তারাই গণমধ্যম দাঁত কেলাতে কেলাতেই সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বারবার করে বলে দিয়েছে, ‘করোনা বড় লোকদের অসুখ, এটি কোনোভাবেই গরিবদের ক্ষতি করবে না।’

বাংলাদেশের আর্থিক দুর্বলদের এই তত্ত্বটা সত্যি হলে, এবার কিন্তু সত্যি সত্যি দেশের বড়লোক বা যাদের বিত্তবান বলেন, তারাই বিপদে পড়বে। যাই হোক করোনা যেহেতু গরিব মানুষদের মারে না, সেহেতু বিষয়টা নিয়ে বিত্তশালী মানুষরাই ভাববে, তারা কীভাবে করোনা থেকে নিজেদের রক্ষাটা করবে, সেটাও তাদেরই একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সরকারের উচিত হবে, দেশের গণমাধ্যমে দেওয়া আর্থিক দুর্বলদের করোনা তত্ত্বটা মেনে নিয়েই হসপিটালগুলোতে অসহায় বিত্তবানদের জন্য আলাদা করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া, কারন করোনায় একমাত্র এদের জীবন হুমকির মুখে পড়েছে।

আর এই সময়টায় দেশের হসপিটালগুলো থেকে গরিবদের দূরে রাখাটাও প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব, যেহেতু গরিবরা বলেই দিয়েছে করোনায় তারা মরবে না। অতএব তাদের আপাতত চিকিৎসা সাপোর্ট দেওয়াও লাগবে না। সরকার মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে শুধু মাথা ঘামাবে বিত্তবানদের প্রাণ সংশয়টাকে ঠেকানোর। এটা করাই কি উচিত না? এমনকি ফ্রি ভ্যাকসিন দেওয়া বন্ধ করে উচিত, কারণ বিত্তবানরা ভ্যাক্সিন যতো টাকাই হোক, কিনেই দিতে পারে, এই খাতে বেহুদা অর্থ অপচয় করার প্রয়োজন নেই। তত্ত্ব মেনে গরিবরা না মরলে, তাদের ভ্যাক্সিনের আওতায় আনার কোনো প্রয়োজন আর দেখি না, এতে সরকারের খরচ কমবে।  গণমাধ্যমে টিটকারির হাসি মেরে যারা সাক্ষাৎকার দিয়ে গেছে, তারা অবশ্যই বুঝে শুনেই বলেছে। প্রাপ্তবয়স্কদের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার ক্ষমতা কারো নেই। গণ চিন্তারে সম্মান না করে উপায় নেই।  অন্যায্য কিছু বলেছি কি? ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত