প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আরও ৩ জেলায় লকডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা

জেরিন আহমেদ: [২] ঈদের পর বিভিন্ন জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে । শুক্রবার (২৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশজুড়ে যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগজ্ঞে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরা, রাজশাহী এবং খুলনাতে লকডাউনের পরিকল্পনা আছে। সূত্র: আর টিভি

[৩] এ প্রসঙ্গে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ আলম বলেন, আরও তিনটি জেলা আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। সংক্রমণ বাড়লেই সেগুলোতে লকডাউনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট, আরটিভি

[৪] তিনি আরও বলেন, আমরা যখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা লকডাউন ঘোষণা করি, তখন ওই জেলায় সংক্রমণের হার ছিলো ৪০ শতাংশের ওপরে। আর অন্য জেলাগুলোতে এখনো সংক্রমণের হার অনেক কম। তবে যদি বাড়তে থাকে এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়া হবে।

[৫] এদিকে শুক্রবার (২৮ মে) রাজশাহীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

[৬] ১৭ থেকে ২৩ মে— এই এক সপ্তাহের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় ২২টি জেলায় নতুন রোগী বৃদ্ধির হার শতভাগ বা তার বেশি ছিল। এগুলোর মধ্যে ১৫টি জেলাই সীমান্তবর্তী। এই জেলাগুলোর মধ্যে ৯টির প্রতিটিতে এক সপ্তাহে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পঞ্চাশের নিচে।

[৭] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলোজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ঈদের পরে চাপাইনবাবগঞ্জসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় আবারও সংক্রমণ বাড়ছে।

[৮] স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঈদের পর সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে সম্প্রতি ভারত ফেরত কয়েকজন আছেন । বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন কার্যালয় এক দিনেই ভারত থেকে আসা ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছে। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন। এ নিয়ে আখাউড়া সীমান্ত হয়ে আসা ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হলো।

[৯] সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যেভাবে মানুষ কেনাকাটা ও গ্রামের বাড়িতে যাওয়া শুরু করেছিল, সংক্রমণ তো বাড়বেই। আমরা আগেই বলেছিলাম ঈদের ১০ থেকে ১৪ দিন পরেই এর প্রভাব দেখা যাবে। এখন তা-ই দেখা যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতেও সংক্রমণ বাড়ছে, এক্ষেত্রে করোনার ভারতীয় ধরনও কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

[১০] এসময় করণীয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে করণীয় একটাই, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেখানে রোগী বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে, সেখানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে গত মার্চের মতো অপ্রত্যাশিতভাবে হঠাৎ করেই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। সূত্র: যুগান্তর অনলাইন

 

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত