প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মিরপুরের গ্যালারি ফাঁকা, নেই দর্শকদের গর্জন

রাহুল রাজ: [২] ২০১৯ সালে ভিআরএ অ্যামস্টেলভিনের প্রধান অনুশীলনী মাঠে কাতার বনাম নেপালে খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। পুরো গ্যালারি ছিল ফাঁকা। কারণ ছিল ভিন্ন দেশে আইসিসির সহযোগী দলের খেলা দেখতে দর্শকদের তেমন কোন আগ্রহ ছিল না। কিন্তু ঘরের মাঠে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের খেলায় নেই কোন দর্শক। গ্যালারি থেকে ভেসে আসছে না কোন হৈই চৈই। চার-ছয় বা বিপক্ষের উইকেট পতনে গর্জে উঠছে না বাঘের গর্জন।

[৩] করোনা প্রভাবে দর্শকবিহীন ক্রিকেট ম্যাচে ছিল কোন টাইগার ভক্তদের আবেগ। রাত জেগে টিকিট কিনতে ছিল না লম্বা লাইন। হাতে মুখে প্রিয় দলের প্রতিকৃতি আঁকার জন্য ছিল না রং তুলি হাতে কোন সৌখিন শিল্পী। বাঘের সাজে গ্যালারিতে দেখা যায়নি টাইগার শোয়েবকে।

[৪]শেরে-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ৩ নম্বর গেটের বাইরে দেখা যায়, মোবাইলে বেতারে খেলার ধারাবর্ননা শুনছেন কিশোর এক ছেলে। স্টেডিয়াম এলাকায় আসার কারণ প্রসঙ্গে ১৭ বছরের রাসেলে জানায়, আমার বাসা মিরপুর-১৪। অন্য সময় খেলা থাকলে নিয়োমিত মাঠে বসে খেলা দেখি। যেহেতু এবার মাঠের ভিতরে ঢুকতে পারছি না তাই স্টেডিয়ামের সামনে বসেই খেলা শুনছি। এতে মনে হচ্ছে আমি মাঠের ভিতরেই আছি।

[৫]ফরিদ নামের ঢাকা নবাবগঞ্জ থেকে আসা অপর এক তরুণ জানান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইতোমধ্যে আমরা সিরিজ জিতেছি। শেষ ম্যাচটি নিচ চোখে দেখতে সকালেই মাঠে চলে আসি কিন্তু এখানে এসে জানতে পেরেছি মাঠে প্রবেশ নিষেধ। শুনেই মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়। এখন টিভিতে খেলা দেখাই শেষ ভরষা।

[৬]২০২০ এর মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ মাঠে দর্শক স্বচক্ষে খেলা দেখতে পেরেছিল। মেঘ কেটে আবার সূর্য উঠবে। ঘুচিয়ে যাবে অন্ধকার। করোনার কালো থাবা কেটে আবার পৃথিবী হেসে উঠবে। গ্যালারি থেকে আবার ভেসে আসবে বাঘের গর্জন। হুংকারে কেপে উঠবে পুরো মাঠ। এমনটাই চাওয়া প্রতিটি টাইগার ভক্তের।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত