শিরোনাম
◈ মানুষের শরীরে এআই দিয়ে তৈরি ভাইরাস প্রয়োগের দাবি বিজ্ঞানীদের, নেই গবেষণাপত্রে প্রমাণ ◈ ‌নিউইয়‌র্কে সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগ, বিপুল সম্পদের মালিক একশ্রেণির প্রবাসী বাংলাদেশির দরজায় এফ‌বিআই  ◈ বৃহত্তম ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সাইবার হামলায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ ◈ যে কারণে শনিবার ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না কয়েকটি জেলায় ◈ জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বলেছেন, ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আমি পালিয়ে আসি’: আরও যা জানালো পিবিআই (ভিডিও) ◈ এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগে চাপে গুগল-আমাজন-মাইক্রোসফট, মূল ব্যবসায় ক্ষতি ও ট্রিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ ঢাকার ২৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ, স্যাঁতসেঁতে কক্ষে পাঠদান ও শিক্ষক সংকটে ব্যাহত শিক্ষা ◈ থাইল্যান্ডে ১০ হাজার বিদেশিকে খুঁজছে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশিরাও ◈ তাহসিফের লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে ৫০ গজ দূরে মিলল মোটরসাইকেল, হেফাজতে ‘জুনিয়র বন্ধু’ দ্বীপ ◈ গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২১, ০৬:৪৬ সকাল
আপডেট : ১৯ মে, ২০২১, ০৬:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজীব নূর: তথ্য পাওয়া যে দেশে দুরূহ করে রাখা হয়, সেখানে নথিপত্র চুরি করা ছাড়া অন্য উপায় কি আছে?

রাজীব নূর: এই কাজী বেগমের ধনসম্পদ নিয়ে বিস্তর কথা লেখা হচ্ছে। সেই সব আমার জানা নেই। তবে তিনি যে একার সাহসে কাণ্ডটা করেননি, এটা জানার জন্য জ্যোতিষী হওয়ার দরকার নেই। তার পেছনে বড় বড় সব ডাকাত আছেন। ডাকাতদের শলাপরামর্শে সময় লেগেছে বলেই রোজিনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। অবশেষে রাতে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে। এজাহারে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় এবং ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি আর রাষ্ট্রের গোপন নথি নিজ দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে বলা আছে, যদি কেউ নিষিদ্ধ স্থানে যায়, আর কোনো গোপন তথ্য সংগ্রহ বা প্রকাশ করে তাহলে তিনি অপরাধী হবেন। এসব ধারায় সর্বোচ্চ তিন বছর সাজার বিধান রয়েছে।

এই তো চাই, ডাকাত দলের ডাকাতির তথ্য বের করে আনার নাম গুপ্তচরবৃত্তি। সত্যিকারের রিপোর্টার যারা তাদের মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হলে এমন আরও অনেক গুপ্তচর পাওয়া যাবে। তথ্য পাওয়া যে দেশে দুরূহ করে রাখা হয়, সেখানে নথিপত্র চুরি করা ছাড়া অন্য উপায় কি আছে? সাংবাদিকদের অন্য সংগঠনগুলো কি করবে জানি না। রিপোর্টারদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সব সদস্যের বলা উচিত, ‘আমি একজন রিপোর্টার, জীবনে অনেক বার তথ্য চুরি করে প্রকাশ করেছি, একই অপরাধে রোজিনাকে জেলে আটকে রাখা হলে আমাকেও জেলে নেওয়া হোক। ‘ফুটনোট : শাহবাগ থানা ঘুরে বাসায় ফেরার পর তনুজা বললো, ‘তোমার মেয়েকে ডাক্তার রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবার পরামর্শ দিয়েছেন।’ আমাদের মেয়ে অপার সর্বজয়াকে নিয়ে বিকেলে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল তার মা তনুজা আকবর। অপার ডাক্তারকে বলেছে, ‘বাবা বাসায় না ফিরলে আমি ঘুমাতে পারি না।’ রোজিনার বাচ্চাটা কি ঘুমিয়েছিলো? এই সব সাত-সতেরো ভাবনায় ঘুম এলো না আমার। নির্ঘুম রাতযাপন শেষে মনে হলো, দুই যুগের বেশি সাংবাদিকতা জীবনে সাংবাদিকতার এমন খারাপ সময় আর দেখিনি আমি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ