শিরোনাম
◈ পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী! ◈ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সংশোধন করে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি ◈ পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সতর্ক করে যা বললেন গভর্নর ◈ মা-বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করলেন তারেক রহমান ◈ চার বছর পর বিশ্বকাপে খেল‌তে নে‌মে জয়ে শুরু জিম্বাবুয়ের ◈ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষর: ১৯ শতাংশে নামল শুল্ক, তৈরি পোশাকে নতুন সুবিধা ◈ ট্রাম্পের হামলা হুমকির মধ্যে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি ◈ ইন্টারনেট-টেলিযোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছে ইসি ◈ অবশেষে পিছু হটলো ইসি, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার  ◈ যে কারণে এবারের বাংলাদেশ নির্বাচন ঘিরে ভারতের বিশেষ আগ্রহ ও তীক্ষ্ণ নজর

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০২:০৯ রাত
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সতর্ক করে যা বললেন গভর্নর

কর আদায় না বাড়িয়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের ব্যাংকঋণের বোঝা আবারও বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আস্থার অভাবে প্রত্যাশার তুলনায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমেছে। সরকার বাজেটে কাটছাঁট করার পরও ব্যাংক খাত থেকে ঋণের হার বেড়েছে।’

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন তিনি।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার সংশোধন প্রয়োজন। সব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো বাংলাদেশ ব্যাংককেও চাপে থাকতে হয়। আশা করি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে আর্থিক খাত নিয়ে সংস্কারের বিষয়ে দলগুলো কথা রাখবেন।’

গভর্নর বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সব শর্ত পূরণ করেছে। চার বছরে আইএমএফ যে ঋণ দেওয়ার কথা, তার থেকে বেশি ডলার রিজার্ভে কেনা হয়েছে। অন্যের মুখাপেক্ষী আমরা থাকতে চাই না।’

রিজার্ভের বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে বাজার থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে। গত ১ বছরে ডলার কেনা হয়েছে। কোনো ডলার রিজার্ভ থেকে বিক্রি করা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রেমিট্যান্সের প্রবাহ ১৮ শতাংশের বেশি। চলতি অর্থবছর ৩৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসতে পারে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রচলিত স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি হারে কিছু ব্যাংক আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বা বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে তাদের অতিরিক্ত তারল্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে বেশি আগ্রহী হচ্ছে। এতে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের গতিশীলতা বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে, মুদ্রানীতি কাঠামোর ইন্টারেস্ট রেট করিডোরের আওতায় আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার কার্যক্রম আরও গতিশীল এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা আরও বেশি সুসংহত করার লক্ষ্যে নীতি সুদহার করিডোরের নিম্নসীমা-স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি শতকরা ৮ শতাংশ থেকে ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নীতি সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি বিদ্যমান শতকরা ১১ দশমিক ৫০ শতাংশে এবং ওভার নাইট রেপো নীতি সুদহার বিদ্যমান শতকরা ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। উৎস: কালবেলা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়