প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঈদের বাজারে সবজি-মাংসসহ ভোজ্যতেলের মুল্য বৃদ্ধি

শাহীন খন্দকার: [২] রাত পোহালেই ঈদ। ঈদের কেনাকাটায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের ক্রেতাদের প্রধান ভরসা খোলা বাজার। কিন্তু মূল্যবৃদ্ধির ফলে নিত্য পণ্য ক্রমাগত ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। করোনার দাপটে যখন সারা বিশ্ব নাজেহাল। দিনের পর দিন বেড়েই চলছে সংক্রমণ। পণ্যমূল্যবৃদ্ধিও চেপে ধরেছে সাধারণ মানুষকে। গত দুইদিন আগে গরুর মাংস ছিলো ৫৫০ টাকা আজ বৃহস্পতিবার ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস ছিলো ৭৫০ টাকা আজ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকায়।

[৩] মোহম্মদপুর কৃষিবাজার, টাউনহল মোহম্মদপুর পুরান থানার সামনে, নুরজাহান রোড শেখেরটেক বাজার ঘুরে এমনটাই দেখা যায়। লেয়ার মুরগী ছিলো ২০০ টাকা আজ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়, পাকিস্তানী ককমুরগী ৩৩০ টাকা, দেশী মুরগীর কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগী ১৫০ টাকা কেজি।

[৪] বাজার ঘুরে দেখা যায় মাছের সরবরাহ খুবই কম, বাজার ঘুরে দেখা মিলেনি ইলিশ মাছের। তবে রুইমাছের কেজি ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের কৈ মাছ ১৭০ থেকে ২০০ টাকা ,পাবদা ও টেংরা মাছ ৩০০, শিংমাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, আর মাগুড় মাছ ৪০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মলা-ঢেলা ২০০ টাকা, কাঁচকি ২০০, বোয়াল ৫০০ থেকে ৭০০, আর হাওড়ের চিতল মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

[৫] শশা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, গফরগাঁয়ের বেগুন গোলটা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, আর লম্বাটা ৫০ টাকায়। লাউ প্রতিটি ৫০ টাকা, করল্লা ৫০-৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঝিঙে, ধুনধুল ৫০ টাকা, পুঁইশাক কেজি ৪০ টাকা, আদা ১০০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, পিঁয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারের উর্ধগতি সর্ম্পকে কৃষিবাজারের সবজি ব্যবসায়ি বরকত উল্লাহ বলেন, সব ব্যবসায়িরাই বেশী মুল্যে পণ্য বিক্রি করছে। তিনি বলেন, পঁচনশীল পণ্যে লোকসান বেশী কারণ ২০ কেজিতে প্রায় ১ কেজি পচে যায়, সেকারণেই মুল্য একটু বেশী।

[৬] গত বছরের শেষ দিকে বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ছিল প্রতি লিটার ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা যা এখন ১৪০ টাকারও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেল ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

[৭] খোলা ভোজ্যতেল হিসেবে প্রায় ৭০ শতাংশই পাম সুপার বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটারের দাম আগে ছিল মিলগেইটে (খোলা) ৯৫ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ৯৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১৩০ টাকা। পোলাও’র চাল প্যাকেট ১২০ টাকা কেজি আর খোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। গরমমশল্লা দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৭০০ টাকা, এলাচ ২৫০০-২৭০০ টাকা, একশ গ্রাম লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ৮৫-১০০ টাকা। কাজু বাদাম কেজি ৭০০-৯০০ টাকা, কিসমিস ২৬০-৩৫০ টাকা কেজি, আলু বোখারা ৭০০-৯০০ টাকা। গুড়াদুধ প্যাকেট প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৬০ টাকায়।

[৮] এদিকে লাল দেশী চিনি রোজার মাঝামাঝি থেকেই বাজারে পাওয়া না গেলেও আমদানিকৃত চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়। ভারতীয় মুশর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৭০, আর দেশী ডাল ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষিবাজারে বাজার করতে আসা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, রাজনীতিবিদরা ব্যবসায় ও ব্যবসায়ীরা এখন রাজনীতি করে, তাই সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্পুর্ণ ব্যর্থ। সরকারের ব্যর্থতার কারনেই জনগণকে বেশী মুল্যে সব ক্রয় করতে হচ্ছে! সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত