প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সুনামগঞ্জে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে চলছে বিল খনন

জাকারিয়া জোসেফ: [২] মৎস্য পাথর ধান সুনামগঞ্জের মানুষের প্রাণ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় ভরাট হয়ে যাওয়া খাল, বিল ও জলাশয়গুলোর খনন কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া জেলায় জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পে আওতায় জলাশয়ের খনন কাজ।

[৩] দেশীয় প্রজাতির মছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জলাশয়গুলো খননের উদ্যেগ গ্রহণ করছে সরকার। সে লক্ষ্যে হাওরপাড়ের সরকারি জলাশয়গুলো খননকাজে চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চলতি বছর জলাশয়গুলো সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে আশাবাদী হয়ে উঠছেন হাওরপাড়ের কৃষক ও মৎস্যজীবীরা।

[৪] জেলার সুনামগঞ্জ সদর, জামালগঞ্জ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর,ধর্মপাশা ও দিরাইসহ মোট ৬টি উপজেলায় ৪৫টি স্কিমে ২৮টি জলাশয়ের খনন কাজের মধ্যে সিংহ ভাগ জলাশয়ের খনন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি জলাশয়ের খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে সুনামগঞ্জ জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়। জলাশয়গুলো খনন করার ফলে যেমন জলাশয়গুলোতে মৎস্য প্রজনন বৃদ্ধি পাবে তেমনি হাওরপারের মৎস্যজীবীরা যেমন মাছ সংগ্রহ করতে পারবে অন্যদিকে সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি দিয়ে সুফলতা পাবেন কৃষকরাও।

[৫] এ ব্যাপারে হাসামেলা চুন্নী গ্রুপ জলমহালের সাধারণ সম্পাদক মহরম আলী বলেন, আমরা জলাশয় খননের কাজ সম্পন্ন করেছি। জলাশয়টি খননের ফলে যেভাবে দেশীয় প্রজাতি মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ভাবে ঠিক তেমনি হাওরের কৃষকেরাও জমিতে পানি দিয়ে অধিক ফলনে উপকৃত হবেন।

[৬] মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিউর রহমান বলেন, আমাদের দেখার হাওরের পাশেই পাংগাইয় জলাশয়। জলাশয়ের চারপাশে রয়েছে ২’শ একর জমি। পানির অভাবে অনেক সময় আশানুরুপ ধান ফলানো যায় না। জলাশয় খনন করার ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

[৭] প্রভাষক মোঃ মশিউর রহমান বলেন, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য এ খালগুলো সংস্কার খুবই প্রয়োজন। সরকারের এ উদ্যেগকে স্বাগত জানাই।

[৮] সুনামগঞ্জ জেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য অফিসার সীমা রানী বিশ্বাস জানান, জেলার ৬টি উপজেলার ৪৫টি স্কিমের আওতায় ২৮টি জলাশয়ের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি’র খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে। জলাশয় খননের ফলে জেলাবাসী সুফল পাবে। দেশীয় প্রজাতির মাছেন প্রজনন বাড়বে এবং অন্যদিকে কৃষকরা তাদের কৃষি জমিতে সেচ দিয়ে অধিক ফসল ফলানোর সম্ভব। তিনি বলেন, এই খাল বিল ও জলাশয়গুলো খননে সব সময় আমাদের মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মনিটরিং করছেন তদারকি করছেন যাতে করে নির্দেশনা মোতাবেক সঠিকভাবে এবং সঠিক সময়ে কাজগুলো সম্পন্ন হবে বেল তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত