শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও তড়িঘড়ি করে পাস করা ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইনে কী আছে? ◈ ট্রাইব্যুনালে হাজির জিয়া হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর ◈ হ্রদের পানি স্বাভাবিক, ৫ দিন পর বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট ◈ মীর মুগ্ধসহ ১১ জন হত্যা: আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি আজ ◈ ফিফা ফুটবলকে ধ্বংস করছে, সভাপ‌তি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চেয়ে সরব স্প‌্যা‌নিশ লা লিগা প্রধান  ◈ মেসির রহস্যজনক ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন আ‌রেক আ‌র্জেন্টাইন তারকার বাবা ◈ জ্বালানি সংকট নিরসনে তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন, সিদ্ধান্ত আসছে আগামী মাসে : প্রধানমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ইঙ্গিত, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে আগস্টে ◈ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০২:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাটক নির্মাণে জটিলতা, প্রচারের ক্ষেত্রে নানা বিপত্তি

ইমরুল শাহেদ: একজন নাটক নির্মাতা এই ম্যুভমেন্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ঢাকার আশপাশের লোকেশনে একটি সাত পর্বের নাটকের কাজ শেষ করেছেন। তিনি আগে এক ঘন্টার নাটক এবং ইউটিউবের জন্য নানা কনটেন্টস তৈরি করলেও এটাই হলো তার প্রথম ধারাবাহিক। কয়েক জনের আড্ডাতে তিনি জানালেন, প্রতি পর্বে তার ব্যয় হয়েছে ৪০ হাজার টাকা করে এবং সাত পর্বের ব্যয় দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা। এতো বেশি ব্যয় হলো কেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, হাউজ ভাড়া বেশি হওয়ায় পর্ব ব্যয় বেড়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পরখ করে লোকেশন ঠিক করার কোনো সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, ‘কাজ করতে গিয়ে বুঝলাম প্রথম সারির নায়ক-নায়িকা যারা আছেন তাদের প্রায় প্রত্যেকেই কোন না কোন হাউজের সঙ্গে সম্পর্কিত। তারা প্রযোজক পরিচালকদের বাধ্য করেন তাদের পছন্দের হাউজে কাজ করার জন্য। এর নেপথ্যে কমিশনের কোনো বিষয় আছে কিনা সেটা তিনি জানেন না। হাউজ মালিকরা সে সুযোগ নিয়ে বাড়িয়ে ভাড়া নিচ্ছেন।’ এছাড়া তারকারা এসব হাউজগুলো থেকে অন্য কোনো সুযোগ সুবিধা নেন কিনা সেটাও তিনি জানেন না। সংশ্লিষ্ট শিল্পীরা যখন নির্মাতাদের তাদের পছন্দের হাউজে যেতে প্রলুব্ধ করেন, তখন তারা হাউজটির নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে শুরু করেন।

এভাবেই তার ধারাবাহিকটির ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আড্ডার একজন বলেন, এখন এই নাটক চালাবেন কোথায়? কোনো কিছু নির্ধারিত না থাকলে তাকে দুই লাখ টাকায় নাটকটি প্রচারের জন্য দিতে পারেন। তার এক চ্যানেলের সঙ্গে বলা আছে। তিনি ধারাবাহিকটি চালিয়ে দেবেন। তখন সাত পর্বের নির্মাতা বলেন, ‘আমাকে অন্তত ইউটিউবের সত্ত¡টা দেন। তাহলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারব।’ তখন প্রস্তাবক বলেন, ‘ইউটিউব শর্ত চ্যানেল ছাড়বে না। আমার নিজেরই একটি নয় লাখ টাকার ধারাবাহিক চার লাখ টাকায় দিয়ে দিয়েছি। কি করব? কতদিন ফেলে রাখব নাটক।’ নির্মাতারা যখন নাটক বানিয়ে এভাবে হাবুডুবু খেতে থাকেন, তখন সংশ্লিষ্ট তারকারা যৎসামান্য দুঃখও প্রকাশ করেন না। কারণ তারাতো বাকিতে কাজ করেন না। তারা মনে করেন, তারা আছেন বলেই নাটক বাজারজাত হয়। প্রমাণ হিসেবে তারা তাদের টিআরপি দেখান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়