শিরোনাম
◈ ‘আমার ছেলেকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলা হয়েছে’: তাহসিফের বাবা ◈ তদন্তের আগে মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব না, সব বিষয় জেনে কথা বলবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নবম পে-স্কেল: চুক্তিভিত্তিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণে নতুন নিয়ম ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভুয়া ভোটার সন্দেহে আটক ৩ শিক্ষার্থী ◈ পুলিশের দায়িত্ব কেবল চাকরির পরিচয় নয় বরং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যার মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, ৩ আওয়ামী লীগ নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ◈ সরকারি এলপিজির দাম ৭৭৭ টাকা, কোথায় যায় কারা পায়: ধরাছোঁয়ার বাইরে সাধারণ মানুষ ◈ ভুয়া এনআইডিতে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিচ্ছেন রোহিঙ্গারা, পুলিশ ভেরিফিকেশন ফেরানোর চিন্তা ◈ বাকি টাকা মাগরিবের আগে পাঠান, না হলে বোটে আগুন জ্বালিয়ে দেব: যুবদল নেতার সঙ্গে মৎস্য কর্মকর্তার অডিও ভাইরাল ◈ গাজীপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বাসায় হামলা, আহত দম্পতির অভিযোগ মামলা নেয়নি পুলিশ

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০২:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাটক নির্মাণে জটিলতা, প্রচারের ক্ষেত্রে নানা বিপত্তি

ইমরুল শাহেদ: একজন নাটক নির্মাতা এই ম্যুভমেন্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ঢাকার আশপাশের লোকেশনে একটি সাত পর্বের নাটকের কাজ শেষ করেছেন। তিনি আগে এক ঘন্টার নাটক এবং ইউটিউবের জন্য নানা কনটেন্টস তৈরি করলেও এটাই হলো তার প্রথম ধারাবাহিক। কয়েক জনের আড্ডাতে তিনি জানালেন, প্রতি পর্বে তার ব্যয় হয়েছে ৪০ হাজার টাকা করে এবং সাত পর্বের ব্যয় দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা। এতো বেশি ব্যয় হলো কেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, হাউজ ভাড়া বেশি হওয়ায় পর্ব ব্যয় বেড়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পরখ করে লোকেশন ঠিক করার কোনো সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, ‘কাজ করতে গিয়ে বুঝলাম প্রথম সারির নায়ক-নায়িকা যারা আছেন তাদের প্রায় প্রত্যেকেই কোন না কোন হাউজের সঙ্গে সম্পর্কিত। তারা প্রযোজক পরিচালকদের বাধ্য করেন তাদের পছন্দের হাউজে কাজ করার জন্য। এর নেপথ্যে কমিশনের কোনো বিষয় আছে কিনা সেটা তিনি জানেন না। হাউজ মালিকরা সে সুযোগ নিয়ে বাড়িয়ে ভাড়া নিচ্ছেন।’ এছাড়া তারকারা এসব হাউজগুলো থেকে অন্য কোনো সুযোগ সুবিধা নেন কিনা সেটাও তিনি জানেন না। সংশ্লিষ্ট শিল্পীরা যখন নির্মাতাদের তাদের পছন্দের হাউজে যেতে প্রলুব্ধ করেন, তখন তারা হাউজটির নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে শুরু করেন।

এভাবেই তার ধারাবাহিকটির ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আড্ডার একজন বলেন, এখন এই নাটক চালাবেন কোথায়? কোনো কিছু নির্ধারিত না থাকলে তাকে দুই লাখ টাকায় নাটকটি প্রচারের জন্য দিতে পারেন। তার এক চ্যানেলের সঙ্গে বলা আছে। তিনি ধারাবাহিকটি চালিয়ে দেবেন। তখন সাত পর্বের নির্মাতা বলেন, ‘আমাকে অন্তত ইউটিউবের সত্ত¡টা দেন। তাহলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারব।’ তখন প্রস্তাবক বলেন, ‘ইউটিউব শর্ত চ্যানেল ছাড়বে না। আমার নিজেরই একটি নয় লাখ টাকার ধারাবাহিক চার লাখ টাকায় দিয়ে দিয়েছি। কি করব? কতদিন ফেলে রাখব নাটক।’ নির্মাতারা যখন নাটক বানিয়ে এভাবে হাবুডুবু খেতে থাকেন, তখন সংশ্লিষ্ট তারকারা যৎসামান্য দুঃখও প্রকাশ করেন না। কারণ তারাতো বাকিতে কাজ করেন না। তারা মনে করেন, তারা আছেন বলেই নাটক বাজারজাত হয়। প্রমাণ হিসেবে তারা তাদের টিআরপি দেখান।

  • সর্বশেষ