শিরোনাম
◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ◈ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পযর্ন্ত ততদিন চব্বিশ চলবে: শেরপুরে শফিকুর রহমান ◈ কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর যুবদলের আহব্বায়ক সহ ৮ নেতা বহিষ্কার ◈ নতুন বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক হারে বরাদ্দ বাড়াল ভারত ◈ বাঘারপাড়ায় বিপুল অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার ◈ নরসিংদীর ঘোড়াশালে আড়াই বছরের  শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ ◈ ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল: এবার নির্বাচন কেউ বন্ধ করতে পারবে না

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৪৫ রাত
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৮ হাজার টাকার চাকরি থেকে দেশের কনিষ্ঠতম কোটিপতি কী ভাবে হয়ে উঠলেন স্কুলছুট নিখিল?

অনলাইন ডেস্ক: স্কুলের ছকে বাঁধা পড়াশোনায় মন বসত না। মাথার মধ্যে ঘুরত হাজার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা। ক্লাসে শিক্ষক পড়ানোর সময়েও সেই সব পরিকল্পনা নিয়েই নাড়াচাড়া করতেন। সেই করতে করতে মাত্র ১৪ বছর বয়সে এক বন্ধুর সঙ্গে শুরু করে দিলেন নিজের ব্যবসা।

পুরনো মোবাইল ফোন কিনে তা অন্যকে বেশি দামে বিক্রি করা শুরু করলেন। মন্দ চলছিল না। কিন্তু ধরা পড়ে গেলেন মায়ের কাছে।জোর করে তাঁকে ঘরে আটকে রাখা হল। গতে বাঁধা রাস্তায় চলতে বাধ্য করা হল। পড়াশোনা করতে বলা হল। ডিগ্রি অর্জন করার জন্য জোরাজুরি শুরু হল।

একদিন বিরক্ত হয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিলেন। স্কুলছুট সেই ছেলেই আজ ভারতের কনিষ্ঠতম কোটিপতি।নিজের সংস্থা খুলে ফেলেছেন তিনি। মূলত শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে সাহায্য করে তাঁর সংস্থা। পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ড এবং বন্ড কেনাবেচায় দালালির কাজও করে তাঁর সংস্থা।

তিনি নিখিল কামাথ। ১৪ বছর বয়সে তাঁর প্রথম ব্যবসা ছিল ওই পুরনো মোবাইল ফোন কেনাবেচা। ব্যবসার কথা জানতে পেরে মা তাঁর সংগ্রহে থাকা সব মোবাইল ফোন শৌচাগারের জলে ফেলে দিয়েছিলেন।

তারপর ১৭ বছর বয়সে বাড়ি ছেড়ে চলে যান তিনি। প্রথমে একটি কল সেন্টারে কাজ শুরু করেন।বিকেল ৪টে থেকে রাত ১টা পর্যন্ত কাজ করতে হত তাঁকে। দিনের সময়টা কাজে লাগাতেন ব্যবসায়িক কাজে। তখন মাইনে পেতেন মাত্র ৮ হাজার টাকা।

শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড এ সব নিয়ে বরাবরই কৌতূহল ছিল তাঁর। বিষয়গুলির গভীরে ঢুকতে প্রচুর পড়াশোনা করেছেন এক সময়।তাঁর বাবা ছিলেন এক জন ব্যাঙ্ক কর্মী। ছেলের ইচ্ছা পূরণের জন্য তিনিই তাঁকে টাকা দিয়ে ব্যবসায় সাহায্য করেছিলেন প্রথম।এমনকী তাঁর উদ্যোগ এবং ইচ্ছাশক্তি দেখে কল সেন্টারের সহকর্মীরাও কিছু কিছু টাকা দিয়ে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন।

ভাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শুরু করে দিলেন নিজের ব্যবসা। বর্তমানে তাঁদের সংস্থার দৈনন্দিন টার্নওভার প্রায় ১ কোটি ডলার।২০২০ সালে ফোর্বসের প্রথম ১০০ ধনীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী ৩৪ বছরের নিখিলের সম্পত্তির পরিমাণ ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়