প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাউজানে ব্যবসায়ীকে গুলি,ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

শাহাদাত হোসেন:[২] ৭দিন পেরিয়ে গেলেও চট্টগ্রামের রাউজানে এক মুরগির খামার ব্যবসায়ীকে গুলি করা সেই কাউন্সিলরসহ মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারনি পুলিশ। গত ১৪ এপ্রিল রাউজান পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ ইব্রাহিম জামে মসজিদ পরিচালনা নিয়ে দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে সাইফুদ্দিন সাবু (৪৯) নামের এক ব্যবসায়ীর বাঁ পায়ে গুলি লাগে।

[৩] তাঁর পায়ে গুলি করার অভিযোগটি উঠে স্থানীয় কাউন্সিলর ও উপজেলা আ.লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর আলীর বিরুদ্ধে। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীর ছোট ভাই পৌর যুবলীগের সহ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে রাউজান থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় কাউন্সিলর আলমগীর আলীকে প্রধান আসামি করে তাঁর ভাই রাশেদ আলী, এরশাদ আলীসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়। জানা যায়, কাউন্সিলর আলমগীর আলীর সাথে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

[৪] ব্যবসায়ীকে গুলি করা পর অস্ত্র হাতে সেই কাউন্সিলরের ছবি সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আব্দুল্লাহ আল্ মামুন বলেন, আমার সামনেই কাউন্সিলর আলমগীর তার প্যান্টের পকেট থেকে পিস্তল বের করে আমার বড় ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করেন। বর্তমানে আমার ভাই সাইফুদ্দিন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২৫ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি কাউন্সিলর আলমগীর আলীর বাড়িতে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

[৫] সেই পালাতক রয়েছে। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। সেই যত বড় ক্ষমতাবান ব্যক্তি হোক না কেন, শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন, এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারলেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

[৬] এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই ) অজয় দেব বলেন, আসামিদের বাড়িতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি।তবে গ্রেপ্তারের চেষ্টায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

 

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত