শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ টঙ্গীতে শিশু নির্যাতন: দেশ ছাড়ার কথা জানালেন শিশুটির বাবা রুমি ◈ স্পেনের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর ◈ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ৫ বড় পরিবর্তন, সীমান্ত বন্ধ ও গণবহিষ্কারে জোর ◈ মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ ◈ বাংলাদেশে হামের পর ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিওর ঝুঁকি, টিকাদান ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা ◈ পাখিরা আসছে, ইচ্ছেমতো খাচ্ছে, দোকানদার বলছেন—‘খাক, ঈশ্বর আমাকে অনেক দিয়েছেন’ (ভিডিও) ◈ আইজিপির বক্তব্যে ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ ইউরোপজুড়ে রাজপথে জেন-জি, কেন বাড়ছে তরুণদের ক্ষোভ? ◈ আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২১, ১২:১৫ দুপুর
আপডেট : ২০ এপ্রিল, ২০২১, ১২:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পাবনা শহরে ডিবি পুলিশের অভিযানে সিরাপ তৈরীর কারখানায় : ২ লক্ষ টাকা জরিমানা

আবুল কালাম:[২] পাবনা শহরের কৃঞ্চপুর মহল্লায় গতকাল মঙ্গলবার ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরীর কারখানার সন্ধান পেয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক সিরাপ, লজেন্স এবং এসব তৈরীর উপকরণ জব্দ করা হয়। এসময় ৩ জনকে আটক ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

[৩] ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, শহরের কৃঞ্চপুরে মৃত আক্কাস আলীর ছেলে ইমরুল কায়েস দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে কারখানা স্থাপন করে অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও লজেন্স তৈরী করছিলেন। এসব অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ পাবনা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বাজারজাত করতো।

[৪] গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান এর নির্দেশে ডিবি পুলিশের একটি টিম ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ইমরুল কায়েসের কারখানায় অভিযান চালানো হয়।

[৫] ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলামা কারখানার মালিক কায়েসকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদন্ড এবং জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন। এসময় পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এবং সদর থানার ওসি নাসিম আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

[৬] অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জেলা পুলিশের উদ্যোগে শহরকে সব ধরণের মাদক, অপরাধ ও সন্ত্রাসমুক্ত করার কর্মসুচির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

  • সর্বশেষ