শিরোনাম
◈ ইউরোপজুড়ে রাজপথে জেন-জি, কেন বাড়ছে তরুণদের ক্ষোভ? ◈ আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা ◈ নিলামে শরিফুলকে পেতে ২ কোটি ৩০ লাখ সিটিজেনস ব্যাংকের, তাসকিনকে ওয়ালটনের ২ কোটি ১০ লাখ  ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশে মোস্তাফিজ, খেলবেন রিশাদও ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নে যাত্রী সংকটে আঞ্চলিক বিমানবন্দর ◈ ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে একযোগে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ নেতানিয়াহু ক্ষমতা হারালে কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত? ◈ তানজিম সাকিবের নাম তোলা হয়‌নি ডি থ্রি ট্রফির নিলামে ◈ খাদ্যশস্য সংরক্ষণে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৪৩ দুপুর
আপডেট : ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আশুগঞ্জ মোকামে বোরো ধানের বাজারে নৈরাজ্য

গোলাম সারোয়ার:[২] এবছর চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মোকামে ধানের আমদানি বেশি হলে ধান বেচাকেনায় রয়েছে চরম অস্থিরতা ও নৈরাজ্য। এখানে নেই কোন সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থা। বোরো ধানের গুণগত মান ভাল হলেও বেচাকেনায় মূল্য প্রতিদিন উঠানামা করে। একটি সিন্ডিকেট এই বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রন করে থাকে।

[৩] তারপরও এবার চালের মূল্য প্রতিদিন উঠানামা করায় পাইকার ও মিল মালিকরা এসব ধান প্রকৃত মূল্যে ক্রয় করছে না। আর উপজেলা প্রশাসন বলছে সব কিছু তাদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

[৪] দেশের বৃহত্তম হাওর অঞ্চল পরিচিত কিশোরগঞ্জ, সিলেট, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও জামালপুর সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষক ও পাইকাররা নৌকা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মেট্রিক টন ধান নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মোকামে আসছেন। চলতি বোরো মৌসুমে নতুন ধানের আমদানি বেশি।

[৫] তবে চালের বাজারে সারাদেশে অস্থিরতা থাকায় এবার এসব ধান কিনতে আগ্রহী নন মিল মালিকরা। পাইকার আর কৃষকরা বলছে যে টাকা মাঠে খরচ হয় তা ধান বিক্রি করে পাওয়া যায়না। এছাড়া এই বাজারে কোন সরকারি নিয়ন্ত্রন নেই। একেক সময় একেক মূল্য ধরা হয়।

[৬] কৃষক ও পাইকাররা এখন ধানের প্রকৃত মূল্য না পেয়ে প্রতিদিন ক্ষতির সম্মুখিন হয়ে পড়ছেন। অভিযোগ রয়েছে এই ধানের বাজারে সরকারি ভাবে কোন মূল্য নির্ধারণ করা হয়না। ফলে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রনে দেশের বৃহত্তম ধানের এই মোকাম। সিন্ডিকেট প্রতিদিন যে মূল্য নির্ধারণ করে সেই মূল্য দিয়ে চলে মোকামে ধান বেচাকেনা।

[৭] আশুগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস জানান ধানের মোকাম তাদের নিয়ন্ত্রনে আছে। নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।এদিকে কৃষক ও পাইকাররা আশুগঞ্জ মোকামে ধানের বাজারে প্রকৃত মূল্য পাবে ও অস্থিরতা কাটবে, এই দাবি কৃষক ও পাইকারদের । নতুবা আগামী ইরি-বোরো মৌসুমে কৃষকদের ধান রোপন করার আগ্রহ হারাবে।

  • সর্বশেষ