প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]৮ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি

বাশার নূরু: [২] আগামী বৃহস্পতিবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমল ও দোকান খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

[৩] মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই চিঠি পাঠানো চিঠিতে ক্ষুদ্র, পাইকারী, খুচরা মার্কেট ও দোকান সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে খোলা রাখারর অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

[৫] চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, গত বছর লকডাউনে ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকার পুঁজি বিনষ্ট হয়েছে। সেসঙ্গে পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে করা হয় তা ও বিনষ্ট হয়েছে।

তা সত্ত্বেও বর্তমান করোনা মহামারির কারণে ক্ষুদ্র, পাইকারী খুচরা মার্কেট ও দোকানসমূহ দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এবং জীবন রক্ষার্থে বন্ধ রাখার মানসিক প্রস্তুতি আমাদের ছিল। কিন্তু এবছর ও ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে কিছুটা ব্যবসার আশায় প্রায় গত বছরের মতই বিনিয়োগ করে।

কিন্তু অত্যন্ত দুভার্গের ব্যাপার যে এবার ও আকস্মিকভাবে লকডাউন ঘোষণা করায় ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী গত বছরের মতো পুঁজি হারানের মত ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এমনি অবস্থায় এ ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সীমিত পরিসরে ব্যবসা করার সুযোগ প্রদান না করলে তারা পুঁজি স্বর্বস্ব হারিয়ে নিঃশ্বেস হয়ে যাবে।

[৬] এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, দোকান খুলে দেওয়ার বিষয়ে এখনও কোনও আশ্বাস পাইনি। তবে আমরা আশাবাদী দুই-এক দিনের মধ্যে পজিটিভ একটা ফলাফল পাবো। এজন্য আমাদের চেষ্টা অবাহত আছে। প্রধানমন্ত্রীকে একটি এসএমএস দেওয়ার চেষ্টা করবো। রমজানের আগে সাতদিন যদি পাইকারী ব্যবসাটা চালু করতে না পারি তাহলে পাইকারী ব্যবসাটা ধ্বংস হবে এবং খুচরা ব্যবসাও ধ্বংস হবে। এর ফলে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এই কথাগুলো আমরা মূখ্য সচিবকে বলছি, মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বলছি, এমনকি আজ আইজিপির সঙ্গে কথা হয়েছে। আমাদের দুঃখ কষ্টের কথা বলছি সবাইকে। ওনারাও আশ্বাস্ত করছে না তা নয়, তারাও বলছে ‘আমরা কথা বলছি, মিটিং করছি, জানাবো’।

[৭] তিনি বলেন, বুধবার থেকে গণপরিবহনও চলবে, যেহেতু সবই খোলা আছে। এমন পরিস্থিতিতে শুধু দোকান, শপিংমল বন্ধ রাখা উচিত বলে মনে করি না। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এমনিতেই শেষ, তারপরে এখন আরো বেশি শেষ হবে। পাইকারী মার্কেটিংয়ের সময় এখন। পাইকারী মালামাল যদি কিনতে না পারে, তাহলে খুচরা বাজারের পণ্যের দামটা বাড়বে। এতে পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের পুজি নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা সারা বছর শুধু একটা মাসের জন্য বসে থাকি। ১১ মাসের বিনিয়োগ একটা মাসের জন্যই করা হয়। রমজান আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা মাস।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত