শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৫৩ বিকাল
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৫৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গত ২৩-২৭ মার্চ দেশে তাণ্ডব সৃষ্টিকারীর হুকুমদাতাদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ইসলামী ঐক্যজোটের

সমীরণ রায়: [২] শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে জামায়াত-শিবির এবং কওমি অঙ্গনের কিছু উগ্রপন্থি তথাকথিত ওলামাদের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালানো হয়। এতে থানা, প্রেসক্লাব, ভূমি অফিস, ওস্তাদ আলাউদ্দিনের স্মৃতি ভাঙচুর, রেলস্টেশন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িতে আগুনসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে নানা উস্কানি দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়।

[৩] তিনি বলেন, দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোতে কখনো উগ্র মতাবলম্বী ছিল না। বর্তমানে হেফাজতে ইসলামের নেতারা জামায়াতে ইসলামীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন। গ্রামে গ্রামে হিংসা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিচ্ছেন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের সরকারি আয়োজন বানচাল করে দেওয়া ছিল এ উগ্রবাদীদের আসল উদ্দেশ্যে। তাদের লক্ষ্য দেশে নৈরাজ্যের সৃষ্টি করে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা।

[৪] সংবাদ সম্মেলনে সুনিদিষ্ট কিছু দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হাটহাজারী, ঢাকাসহ দেশের তাণ্ডব সৃষ্টিকারীর হুকুমদাতাদের গ্রেপ্তার, প্রকৃত মাস্টার মাইন্ডদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, একজন বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা, ওয়াজের নামে হেলিকপ্টার ব্যবহারকারীদের আয়ের উৎস, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতৎপরতার তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত জনসম্মুখে প্রকৃত কাহিনী প্রকাশ করতে হবে। গুটিকয়েক উগ্রবাদীদের কারণে কওমি মাদ্রাসাগুলোর নিরীহ ছাত্র কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়। হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা আহমদ শফি হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়