শিরোনাম
◈ এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগে চাপে গুগল-আমাজন-মাইক্রোসফট, মূল ব্যবসায় ক্ষতি ও ট্রিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ ঢাকার ২৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ, স্যাঁতসেঁতে কক্ষে পাঠদান ও শিক্ষক সংকটে ব্যাহত শিক্ষা ◈ থাইল্যান্ডে ১০ হাজার বিদেশিকে খুঁজছে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশিরাও ◈ তাহসিফের লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে ৫০ গজ দূরে মিলল মোটরসাইকেল, হেফাজতে ‘জুনিয়র বন্ধু’ দ্বীপ ◈ গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ◈ যৌন হয়রানি, ধর্মান্তরের চাপ, আতঙ্কে পশ্চিমবঙ্গের খ্রিস্টানরা ◈ আমেরিকা ও ইসরায়েলি-মদদপুষ্ট চার সন্ত্রাসী চক্রের ১৬ সদস্য ইরা‌নে গ্রেফতার, অস্ত্র ও যুদ্ধের গোলাবারুদ জব্দ ◈ জাপান সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান, ৬ সমঝোতা দলিল ও ৪৬৫৬ কোটি ইয়েনের ঋণ সহায়তা ◈ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ৩৪৩০ জন নিয়োগের অনুমোদন ◈ সরকার গঠনের লড়াইয়ে বিপাকে নেতানিয়াহু, জোট ছাড়ার ঘোষণা কট্টরপন্থি ইহুদি দলের

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ৩১ মার্চ, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক ফ্যান ও এক বাতিতে বিদ্যুৎ বিল পৌনে ৫ লাখ টাকা!

ডেস্ক রিপোর্ট : গেল মার্চ মাসে একটি বাতি ও একটি ফ্যান চালিয়ে বিদ্যুতের বিল এসেছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫১ টাকা। এমন ভুতুড়ে বিল এসেছে মাগুরার মহম্মদপুরের পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বাড়িতে। পল্লী বিদ্যুতের এমন বিলে হতবাক পরিবারটি। সময়টিভি

মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা পবিত্র কুমার বিশ্বাস। তার ওই বাড়িতে শুধুমাত্র বৃদ্ধ মা থাকায় পুরো মার্চ মাসে ব্যবহৃত হয়েছে একটি ফ্যান ও একটি বাতি। অথচ ওই মাসেই বিদ্যুৎ বিল এসেছে পৌনে ৫ লাখ টাকা।

জানা গেছে, ওই উপজেলার বেশিরভাগ মিটারে বিল এসেছে আগের তুলনায় অনেক বেশি। পল্লী বিদ্যুতের অফিসে অভিযোগ করেও কোন ফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের অভিযোগ, বিদ্যুতের মিটার না দেখে আনুমান নির্ভর বিল করার কারণেই এসেছে এমন ভুতুড়ে বিল।

পবিত্র কুমার বিশ্বাসের বৃদ্ধ মা মিরারানী গণমাধ্যমকে জানান, তাদের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যথাক্রমে ৩৫০ টাকা ও ২৮৩ টাকা বিল এসেছে। অথচ মার্চ মাসে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে পৌনে পাঁচ লাখ টাকার বিলের কাগজ।

তিনি আরও জানান, তাদের কোনও বকেয়া বিল নেই। আর ওই বাড়িতে উনি ছাড়া আর কেউ থাকেনও না। এমনকি ৬ মাস আগেও দেড় হাজার টাকার বিল এসেছিল। সেই টাকা অনেক কষ্ট করে পরিশোধ করেন বলেও অভিযোগ করেন পবিত্র কুমারের মা।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসের এজিএম রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, এটা তেমন কিছু না। কম্পিউটারে পোস্টিং দেয়ার সময় ভুল হয়েছে। বিলের কপি নিয়ে আসলে তা ঠিক করে দেয়ার কথাও জানান এজিএম রেজাউল করিম।

  • সর্বশেষ