শিরোনাম
◈ ভিসা নিয়ে বাংলাদেশকে বড় দুঃসংবাদ দিল অস্ট্রেলিয়া ◈ নির্বাচনী মাঠ ছাড়ছেন বিদ্রোহীরা, স্বস্তিতে বিএনপি-জোট ◈ মহাকাশ অভিযানে বড় ধাক্কা, যান্ত্রিক ত্রুটিতে ১৬ স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত ◈ ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’—মুসাব্বির হত্যা মামলায় বিস্মিত আদালত ◈ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া নিয়ে বাক-বিতন্ডা, সংঘর্ষে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত ◈ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ ◈ নির্বাচনের আগে ঘুরে দাঁড়ালো অর্থনীতি, প্রশংসিত ড. ইউনূসের নেতৃত্ব ◈ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে ক্ষমতায় টিকে থাকার মাস্টারপ্ল্যান ছিল: তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বিচারপতি শামীম ◈ বা‌র্সেলেনার কা‌ছে শি‌রোপা হারা‌নোর পর সুপার কাপকে কম গুরুত্বপূর্ণ বললেন রিয়াল মা‌দ্রিদ কোচ ◈ প্রাক-নির্বাচনী জরিপে জামায়াতের চেয়ে ১.১% এগিয়ে বিএনপি

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] টানা খরায় ঝরে পড়ছে আমের গুটি, দিশেহারা চাষীরা

আতাহার আলী: [২] টানা খরা ও দির্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় আম প্রধান অঞ্চল নামে খ্যাত রাজশাহীর বাঘার প্রধান অর্থকারী ফসল আমের গুটি ঝরে পরছে। অনেক স্থানে একই কারনে লিচু ও কাঁঠালের মুচিও ঝরে যাচ্ছে। এতে উপজেলার আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

[৩] উপজেলার বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা যায়, এবার অধিকাংশ গাছে আম ও লিচুর পর্যাপ্ত মুকুল আসে এবং গাছে প্রচুর গুটি আটকাচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের আম চাষী ও বাগান মালিকরা বাগানের পরিচর্যা করে যাচ্ছে। কিন্ত দীর্ঘ কয়েক মাস বৃষ্টি না হওয়ায় গ্রীষ্মের খরতাপে আম ও লিচুর বোটা শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। একই কারণে ঝরে পড়ছে কাঁঠালের মুচিও। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এ অঞ্চরের বাগান মালিক ও ব্যাবসায়ীরা। এ ছাড়া বেশীরভাগ এলাকায় পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত সেচ দিতে পারছেন না বাগানগুলোতে। ফলে বিপাকে পড়েছে চাষীরা।

[৪] উপজেলার বানিয়া পাড়া গ্রমের আম চাষী শহীদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ কয়েক মাস বৃষ্টি না হওয়ায় আম ও লিচুর বোটা শুকিয়ে গুটি ঝরে পড়ছে। বাগানগুলোতে প্রচুর মুকুল এসেছিল এবং গুটিও ভালোই আটকাচ্ছিল কিন্তু খরার কারনে আম-লিচুর গুটি ঝরে যাচ্ছে। এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।

নিচিন্ত পুর গ্রমের বাগান মালিক সিদ্দকিুর রহমান বলেন, খরায় আমের বোটা মুকিয়ে যাওয়ায় পুষ্টির অভাবে অম বড় হতে পারছেনা দামী দামী ওষুধ স্প্রে করেও তেমন ফল পাচ্ছি না।

[৫] বাঘা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর বাঘা উপজেলায় -৮ হাজার ৩৭০ হেক্টর জমিতে আমের গাছ ছিল। ওই পরিমাণ জমিতে ফলন্ত আমের গাছ ছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার ৩০০টি এবং অফলন্ত গাছ ছিল ৮০ হাজার ৪০টি। তবে এবছর ফলন্ত গাছের সংখ্যা আরো বেড়েছে। ওই সব গাছ থেকে গত বছর আম উৎপাদন হয়ছেলি ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। এ বছর মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন্ত গাছেরে সংখ্যা বৃদ্ধি পওয়ায় আমের ফলন গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছিল।

[৬] এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসা কামরুল ইসলাম বলেন, আম ও লিচুর ফলন ধরে রাখতে গাছের গোড়ায় রিঙ করে বেশি বেশি পানি দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে চাষিদের। এছাড়া প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা ৩ গ্রাম বরিক এসিড মিশ্রণ করে স্প্রে করার পরামর্শ দেন তিনি। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়