শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস, প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে পূর্বাভাস আঙ্কটাডের ◈ শাহজালালের মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন তারেক রহমান ◈ ইসিতে প্রথম দিনের আপিল শুনানি: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৫২ জন ◈ আবার ক্রিকেট মাঠে মৃত্যু, এবার মারা গেলেন রঞ্জি ট্রফিতে খেলা মিজোরামের ক্রিকেটার ◈ ‘বিড়িতে সুখ টানেও দাঁড়িপাল্লায় ভোট’ চাওয়া সেই জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হককে শোকজ ◈ একজন সামান্য কর্মী থেকে যেভাবে হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ◈ ১৫ বছরে পুলিশ দলীয় পুলিশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল: আইজিপি (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের ‘বড় সাফল্য’: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মঈন আলী বল‌লেন, বাংলাদেশে ভালো ক্রিকেটার আছে, ত‌বে বিশ্বমানের নেই  ◈ ২২ বছর পর আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের সেমিফাইনালে মরক্কো

প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:১৭ সকাল
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:১৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] স্বীকৃতি মেলেনি কুমারখালীর শতবছরের ঝাড়ু শিল্প

আব্দুম মুনিব:[২] কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার এলংগী পাড়ায় বংশ পরম্পরায় প্রায় শতবছর ধরে ঝাড়ু বা বারুন তৈরি করা হয়। স্বীকৃতি না মেলায় বিলুপ্তির পথে এই শিল্প। এই কুটির শিল্পের প্রধান কাঁচামাল ছনখড়, যা প্রাকৃতিক উপায়ে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বেশি জন্মে।

[৩] নদী এলাকা ছাড়াও কৃষকের পতিত উচু ভূমিতেও দেখা মেলে ছনখড়ের। বাসাবাড়ি কিংবা রাস্তঘাট সব স্থানে পরিস্কার পরিছন্নতার কাজে ব্যবহৃত হয় হাতে তৈরি এই ঝাড়ু। বারুন বা ঝাড়ু পট্টি হিসেবেই বেশি পরিচিত আছে এলাকাটির। শত বছরের ঐতিহ্য থাকলেও মেলেনি কুটির শিল্প হিসেবে বিসিকের স্বীকৃতি।

[৪] ফলে সরকারি বে-সরকারি অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই শিল্পের শতাধিক পরিবারের কারিগররা। প্রতিটি বারুন বা ঝাড়ু তৈরিতে খরচ হয় ৩ থেকে ৪ টাকা এবং বাজারে বিক্রি হয় ৬ থেকে ৭ টাকা। দলবদ্ধভাবে কাজ করলে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ শত বারুন তৈরি করা যায়। এখানকার কারিগররা জানায়, ঝাড়ু তৈরির প্রধান কাঁচামাল দূরদুরান্ত হতে কিনে আনতে হয়। বছরের চৈত্র, বৈশাখ মাসসহ মাত্র কয়েকমাস পর্যাপ্ত ছনখড় পাওয়া যায়।

[৫] কিন্তু সারাবছর কাজ চলমান রাখার জন্য কাঁচামাল কিনে মজুদ রাখতে হয়। এখানকার কারিগররা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় পর্যাপ্ত কাঁচামাল কিনে মজুদ করতে পারেনা। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া বিসিকের ডিজি সোলাইমান হোসেন বলেন, গনমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি এলংগী এলাকায় প্রায় শতবছর ধরে শতাধিক পরিবার ঝাড়ু বা বারুন তৈরি করে। পরিদর্শন করা হয়েছে প্রথমে তাদের স্বীকৃতি এবং পরে সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়