প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বারবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছেন আইডিআরএ চেয়ারম্যানরা

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের বীমা খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার তাগিদে ২০১১ সালে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) গঠন করে সরকার। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংস্থাটি বিতর্কিত হয়েছে বারবার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইডিআরএর চেয়ারম্যানরাই ছিলেন এসব বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। বর্তমান চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেনসহ এখন পর্যন্ত সংস্থাটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে পূর্ণকালীন দায়িত্ব (ভারপ্রাপ্তদের বাদ দিয়ে) পালন করেছেন তিনজন। আইডিআরএকেন্দ্রিক বিভিন্ন অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনজনই। বণিক বার্তা

আইনবহির্ভূতভাবে শেয়ার ব্যবসা, বেতনের দ্বিগুণ গাড়ি ভাতা নেয়া, প্রতিষ্ঠানের অর্থের যথেচ্ছ অপব্যবহারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিতর্কিত হয়ে পড়েছিলেন আইডিআরএর প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদ। তার উত্তরসূরি শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর সময়ও বিতর্কে জড়িয়েছে আইডিআরএ। বর্তমান চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ করেছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এ নিয়ে গতকাল একটি সংবাদ সম্মেলনও করেছে কোম্পানিটি। কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থায় দায়িত্বরত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওই সংস্থার অধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের সরাসরি ঘুষ দাবির অভিযোগ উত্থাপনের নজির এটিই প্রথম।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. মোশাররফ হোসেন নিজেও একসময় ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করেছেন। ১৯৯৮ সালে কোম্পানিটিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে চাকরি ছাড়ার সময় তিনি ডেল্টা লাইফের যুগ্ম নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন।

কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা ও আইডিআরএর বর্তমান চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে ডেল্টা লাইফের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোম্পানিটির কাছে উৎকোচ দাবি করেছেন তিনি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তিনি কোম্পানির ২০১৯ সালের অ্যাকচুয়্যারিয়াল বেসিস অনুমোদন করেননি। এছাড়া সিইওর নিয়োগ নবায়ন অনুমোদন নামঞ্জুর এবং নানা অজুহাতে অন্যায়ভাবে জরিমানা আরোপেরও হুমকি দিয়েছেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান। এমনকি তিনি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদকে বরখাস্ত করে প্রশাসক নিয়োগেরও হুমকি দিয়েছেন।

অন্যদিকে আইডিআরএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সঙ্গে আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেনের দ্বন্দ্ব শুরু ২০১৯ সালের অক্টোবরে। ওই সময় ডেল্টা লাইফের ২০১৫-২০১৭ পর্যন্ত তিন বছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষার জন্য হাওলাদার ইউনূস অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে নিয়োগ দেয়া হয়। পাশাপাশি কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থা তদন্তের জন্য ফেমস অ্যান্ড আর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকেও নিয়োগ দেয় আইডিআরএ। দুই নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে ডেল্টা লাইফের ৪৭টি অনিয়মের বিষয় উঠে আসে। এর মধ্যে গ্রাহকের পলিসির অর্থ পরিশোধ না করা, তহবিলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানো, রাজস্ব ফাঁকি, ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে আদায় করা অর্থ কোম্পানির হিসাবে না দেখানো, ব্যাংক হিসাবে বড় ধরনের গরমিল এবং আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিরীক্ষামান যথাযথভাবে অনুসরণ না করা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে ১০টি বিষয়ে অধিকতর তদন্তের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সুনির্দিষ্টভাবে আরো ২৫টি অনিয়মও চিহ্নিত করেছেন নিরীক্ষক। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি গ্রাহকের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে বলে মনে করছে আইডিআরএ।

এ অবস্থায় আইডিআরএ কেন কোম্পানিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেবে না, সে বিষয়ে ডেল্টা লাইফকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়ে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। এ নিয়ে কোম্পানিটি জবাব দেয়ার জন্য সময় চেয়েছে। আজই এ বিষয়ে আইডিআরএর শুনানিতে ডেল্টা লাইফের উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে ৫ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি সিইও হিসেবে আদিবা রহমানের নিয়োগ নবায়নের আবেদন বাতিল করে দেয় আইডিআরএ। এ বিষয়ে ডেল্টা লাইফের বক্তব্য হচ্ছে, উৎকোচের অর্থ না দেয়ার কারণে আইডিআরএ চেয়ারম্যান আদিবা রহমানের নিয়োগ নবায়নের বিষয়টি অনুমোদন করেননি।

গতকালের সংবাদ সম্মেলনে ডেল্টা লাইফের নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্যে আরো অভিযোগ করা হয়, এসব বিষয় সমাধানের জন্য বীমা কোম্পানিটির যুগ্ম নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল আউয়াল আইডিআরএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে তিনি কোম্পানির কাছে প্রাথমিকভাবে ২ কোটি, পরে ১ কোটি ও সর্বশেষ ৫০ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। আইডিআরএর চেয়ারম্যানের উৎকোচ দাবিসংক্রান্ত অডিও ক্লিপসহ গত বছরের ৭ ডিসেম্বর এ বিষয়ে দুদকে একটি অভিযোগ করেছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। পরে এ নিয়ে কোম্পানির এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের তদন্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

দুদকের কাছে দেয়া ডেল্টা লাইফের চিঠিতে বলা হয়েছে, ড. এম মোশাররফ হোসেন আইডিআরএতে যোগ দেয়ার পর থেকেই কোম্পানির বিভিন্ন কাজে কালক্ষেপণ করেছেন। কোম্পানির সিইও আদিবা রহমানের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পর্ষদ সভায় তাকে পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেটি অনুমোদনের জন্য আইডিআরএ চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু ড. এম মোশাররফ বিষয়টি নিয়ে কালক্ষেপণ করায় কোম্পানির পক্ষ থেকে কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালকে আইডিআরএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেয়া হয়।

চিঠির ভাষ্যমতে, এ নিয়ে আব্দুল আউয়াল আইডিআরএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তাকে তার বাসায় যাওয়ার জন্য বলেন। আব্দুল আউয়াল গত বছরের ১৩ নভেম্বর এ নিয়ে ড. মোশাররফের বাসায় দেখা করেন। এ সময় ড. মোশাররফ আব্দুল আউয়ালের কাছে উৎকোচ দাবি করেন। উৎকোচ দেয়া না হলে কোম্পানির অ্যাকচুয়্যারিয়াল বেসিস অনুমোদন না করা, সিইওর নিয়োগ নবায়ন না করা, জরিমানা আরোপ ও পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসানোর হুমকি দেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান। কোম্পানির হিসাব থেকে উৎকোচের অর্থ দেয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হলে আইডিআরএ চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়ালকে এ বিষয়ে কোম্পানিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তা পরিচালক মঞ্জুরুর রহমানের কাছ থেকে টাকা এনে দেয়ার জন্য বলেন। বিষয়টি মঞ্জুরুর রহমানকে অবহিত করা হলে তিনি আব্দুল আউয়ালকে উৎকোচ দাবির প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আবারো আইডিআরএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরামর্শ দেন। আব্দুল আউয়াল আবারো আইডিআরএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি তার আগের দাবির ব্যাপারে অটল থাকেন। এ সময় আবারো কোম্পানির পক্ষ থেকে অর্থ দেয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হলে আইডিআরএ চেয়ারম্যান আবারো আব্দুল আউয়ালকে মঞ্জুরুর রহমানের কাছ থেকে অর্থ এনে দেয়ার জন্য বলেন।

ডেল্টা লাইফের অভিযোগের বিষয়ে জানতে দুদকে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বণিক বার্তাকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধান শুরুর একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সে প্রক্রিয়ায় প্রথমেই কোনো অভিযোগের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পেলেই অনুসন্ধানের জন্য নেয়া হয়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবে কমিশন।

অবশ্য আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেনও এরই মধ্যে আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে উৎকোচ দিতে চাওয়ার অভিযোগে জিডি করেছেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিল থানায় করা ওই জিডিতে আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে ঘুষ দিতে চাওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি কথোপকথনের রেকর্ড টেম্পারিংয়েরও অভিযোগ তোলেন। পরে ড. মোশাররফ চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আব্দুল আউয়ালকে প্রধান আসামি করে সিআর মামলা দায়ের করেন। মামলায় মো. দেলোয়ার হোসেন, মঞ্জুরুর রহমান, আদিবা রহমান, মো. মঈন উদ্দিন ফারুক ও পল্লব ভৌমিকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৯, ৫০০, ৩৪ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। আদালত ঘটনার সত্যতা নিরূপণের জন্য বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ডিআইজিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী বুধবার এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা।

ডেল্টা লাইফের অভিযোগের বিষয়ে আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার তার সেলফোনে কল দেয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। এমনকি তাকে এসএমএস পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, আইডিআরএ চেয়ারম্যানকে সরকার নিয়োগ দিয়েছে। তিনি যদি কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকেন তাহলে এ বিষয়ে সরকার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। তাছাড়া দুর্নীতির বিষয়গুলো তদন্তের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা দুদকের কাছে যে অভিযোগ করা হয়েছে তারা সেটি তদন্ত করে অভিযোগের যথার্থতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেবে।

আইডিআরএতে ড. এম মোশাররফ হোসেনের পূর্বসূরি চেয়ারম্যানরাও এমন বিতর্কে জড়িয়েছেন। আইডিআরএর প্রথম চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদ প্রথম মেয়াদে ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় দফায় সংস্থাটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল পর্যন্ত। এ দুই মেয়াদে আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বেশকিছু অনিয়মের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

এম শেফাক আহমেদকে যখন প্রথম দফায় আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়, সে সময় তিনি ছিলেন প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের উদ্যোক্তা পরিচালক। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ পাওয়ার সময় এ তথ্য সরকারের কাছে গোপন করে গিয়েছেন তিনি। এছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিধিবহির্ভূতভাবে ১৫টি বীমা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, ব্যক্তিগত বিও হিসাবের পাশাপাশি নিজের মা ও ভাই-বোনের নামে হিসাব খুলে শেয়ার ব্যবসা করেছেন তিনি।

২০১৪ সালে আইডিআরএ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বেতনের প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ গাড়ি ভাতা হিসেবে প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যদিও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই এর বাস্তবায়ন ২০১১ সাল থেকে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে সাধারণ বীমা করপোরেশনের মালিকানাধীন দিলকুশার এসবিসি টাওয়ারে আইডিআরএর প্রধান কার্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থের যথেচ্ছ অপব্যবহার ও বীমা কোম্পানির সিইওদের নিয়োগ অনুমোদনের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

আইডিআরএতে শেফাক আহমেদের উত্তরসূরি হিসেবে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট যোগ দেন সাবেক সচিব মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। গত বছরের ২২ আগস্ট পর্যন্ত তিনি সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। আইডিআরএতে শেফাক আহমেদের উত্তরসূরি হিসেবে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট যোগ দেন সাবেক সচিব মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। গত বছরের ২২ আগস্ট পর্যন্ত তিনি সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। এই মেয়াদকালে কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়মের দায় তৎকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে তার ওপরও বর্তায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত