প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডা. জাকির হোসেন : পদ্মা সেতু, সুফল পেতে প্রয়োজন সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা

ডা. জাকির হোসেন : পদ্মা সেতু বাংলাদেশের তীরহারা পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু প্রকল্প।এর মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ জেলার সাথে দক্ষিণ বঙ্গের শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার সংযোগ স্থাপিত হবে।যার ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে।বহুমুখী পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বহুমুখী সমস্যার লাঘব সম্ভব হবে।তবে পদ্মা সেতুর প্রধানতম মানবিক উপযোগ হবে মধ্যপশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ফেরি পারাপারের দীর্ঘ সময় অপচয় ও কষ্ট লাঘবকরণ।সেই সাথে ফেরি ঘাটের অসাধু লোকদের দৌরাত্ব চিরতরে বন্ধ হবে।

২০১৬-১৭ সালে এই প্রকল্প প্রস্তুতির সাথে যুক্ত কিছু লোকের দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় বিশ্বব্যাংক তার প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহার করে নেয় এবং অন্যান্য দাতা গোষ্ঠী বিশ্ব ব্যাংকের পথ অনুসরণ করে।শূরু হয় প্রকল্প বাসবায়ন নিয়ে জটিলতা।তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এই প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকে ফিরিয়ে আনার র্স্ববস চেষ্টা ও তদ্ববির চালিয়ে যেতে থাকেন।সৈয়দ আবুল হোসেন ব্যাক্তি হিসেবে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন মনে অধিকারী হওয়ায় তিনি মনে প্রাণে চেষ্টা করে গেছেন এই প্রকল্প বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করতে।অন্য যে কোন উপায়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আর্থিকভাবে বাংলাদেশের বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে, এই সত্যটি শুরু থেকেই অনেক চিন্তাবিদ মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছিলেন।নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু শুরু থেকেই প্রকল্পের মেয়াদ কয়েক দফা বেড়ে বেড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় বহুগুনে বেড়েছে।শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার পর,শুধু সফলতার স্বপ্নে বিভোর না থেকে এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বহুমাত্রিক সুদূর প্রসারী বহুমুখী উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দিকে নজর দিতে হবে।

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের এমন একটি সেতু বন্ধন যার মাধ্যমে দেশের প্রধান দুটি সমুদ্রবন্দর রাজধানীর সাথে সরাসরি সংযোগ হবে।স্বাধীনতার পর চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সুফল যেভাবে সারা দেশের মানুষ পেয়েছে ,সেভাবে মংলা সমুদ্র বন্দরের সুফল পাওয়া যায়নি।দক্ষিন বঙ্গে এখন নতুন আরো একটি সমুদ্র বন্দর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলছে।পদ্মা সেতুর এই সেতু বন্ধনের ফলে পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দর ,সমুদ্র সৈয়কত এবং সামুদ্রিক অর্থনীতি নিয়ে যে নতুন দিগন্তের উম্মেচন হবে ,তা অত্যন্ত পরিকল্পনা মোতাবেক কাজে লাগানোর বন্দোবস্ত করতে হবে। সামুদ্রিক অর্তনীতির দিকে নজর দিয়ে সেখানে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বিদেশী বিনোয়োগ আকৃষ্ট করা গেলে দেশের সামুগ্রিক অর্থনীতির চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে। চিকিৎসক ও কলামিস্ট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত