শিরোনাম
◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৫০ সকাল
আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাজী হানিয়াম মারিয়া: জাতীয় পতাকার বিকৃতি একটি অপরাধ

কাজী হানিয়াম মারিয়া: মাঝেমাঝেই ছাত্র-ছাত্রীরা যখন তাদের থিসিস বা প্রেজেন্টশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে মোটা, চ্যাপ্টা করে মানে এসপেক্ট রেশিও ঠিক না রেখে তখন একটা লম্বা চওড়া লেকচার দিই। কারণ এই লোগোগুলোর একটি নির্দিষ্ট মাপ আছে এবং এটিকে ছোট-বড় করতে হয় সেই মাপ অনুসারে। আকারের মতো এগুলোর রংয়ের তারতম্যও গ্রহণযোগ্য নয়। তেমনই আমাদের জাতীয় পতাকার একটি নির্দিষ্ট ডিজাইন, মাপ আছে। আমরা নিজেদের পছন্দমতো সেটা পরিবর্তন করে ফেলতে পারি না, কোনোমতেই না। গাড় সবুজের বুকে লাল বৃত্তটির একটি মানে আছে। হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের স্বাধীনতার সূর্য। কোনো কারণে এই সূর্যটি আয়তক্ষেত্র হয়ে গেলো তার ব্যাখ্যা শিক্ষকসমাজ দেবেন কী? এটি একটি গুরুতর অন্যায়। জাতীয় পতাকার বিকৃতি একটি অপরাধ। আইকিউ কম লোকদের নিয়ে একটি কৌতুক আছে। দোকানে গিয়ে জাতীয় পতাকা আছে কিনা জানতে চাইলে দোকানি জানায়, আছে এবং সব সাইজের আছে। তখন বোকা লোকটি জিজ্ঞেস করে, অন্য কোনো কালারের হবে?

আমি ভয়ে আছি কোনোদিন না জানি, তাদের লাল-সবুজ দেখতে বোর লাগবে, তারপর...। আরেকটি প্রশ্ন রাখি, সুশীল সমাজের কাছে, এই জাতীয় পতাকা বিকৃতি যদি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জায়গায় মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্ররা করতো, তাহলে এতোক্ষণে তাদের শিক্ষাব্যবস্থার কতোটা বাজাতেন আপনারা? বিজয় দিবসের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে হাতাহাতি করা, পারলে আরেকজনের গায়ের উপর দিয়ে ক্যামেরায় মুখ দেখানো, ভুল ব্যানার নেওয়া আসলে প্রমাণ করে যে, আপনাদের উদ্দেশ্য আসলে শ্রদ্ধা নিবেদন না, ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে খুশি করা এবং তা করতে গিয়ে নিজেদের সাথে সাথে পুরো শিক্ষক সমাজকেই অপমাণিত করছেন। নিজেরাই যদি কিছু না জানেন, হাতাহাতি করেন, তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের আর কী শিখাবেন। আসলেই পচন আমাদের মাথায় ধরেছে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়