শিরোনাম
◈ তাহসিফ সুরির সুরতহাল প্রতিবেদন: শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই, নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল ◈ জাপান ৪ দিনের সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষের আগে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় চাপ দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ নভেম্বরের শুরুতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ৩ দিনের ছুটি ◈ ‘আমার ছেলেকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলা হয়েছে’: তাহসিফের বাবা (ভিডিও) ◈ তদন্তের আগে মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব না, সব বিষয় জেনে কথা বলবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নবম পে-স্কেল: চুক্তিভিত্তিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণে নতুন নিয়ম ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভুয়া ভোটার সন্দেহে আটক ৩ শিক্ষার্থী ◈ পুলিশের দায়িত্ব কেবল চাকরির পরিচয় নয় বরং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যার মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, ৩ আওয়ামী লীগ নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:২৪ সকাল
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পতাকা বিক্রিতে আয় নেই, এবার বাড়ি যাওয়ার সময় হয়তো খালি হাতেই যেতে হবে, বললেন ইউসুফ মোল্লাহ

নিউজ ডেস্ক : ‘বিজয় দিবস ভাই, পতাকায় উজ্জীবিত হই, স্বাধীনতায় উজ্জীবিত হই।’ এমন হাঁকডাক ওয়াহিদ মুরান রনি, ইউসুফ মোল্লাহ ও ইকবালের। পেশায় তারা পতাকা বিক্রেতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরের সামনে ভ্যানে ফেরি করে জাতীয় পতাকা ও লাল-সবুজ পতাকাখচিত হাত ও মাথার ব্যাজ বিক্রি করতে দেখা যায় এদেরকে।

ইউসুফ মোল্লাহ পেশায় একজন চাদর বিক্রেতা। কিন্তু প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাসের এই সময় নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জ থেকে রাজধানীতে আসেন বাংলাদেশের পতাকা বিক্রি করতে। গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় নিয়োজিত আছেন। তবে এবার করোনার কারণে বিক্রিতে ভাটা পড়েছে তার। ইউসুফ মোল্লার কাছে বিভিন্ন দামের পতাকা আছে। সর্বনিম্ন ২০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকার মধ্যে পতাকা বিক্রি করেন তিনি। প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় আসেন এবং পতাকা বিক্রি করে ১৭ ডিসেম্বর বাড়ি ফিরে যান।

মুরাদ বলছিলেন, বিজয় দিবস বলে নয়, জাতীয় পতাকা বেচেই আমাদের রিজিক চলে। সারা বছর পল্টন মোড়ে আমরা ফেরি করে পতাকাসহ লাল সবুজের গেঞ্জি, টি-শার্ট, ব্রেসলেট বিক্রি করি। ও থেকেই কোনোরকম দিন চলে যায়।

হতাশ কণ্ঠে ইউসুফ বলেন, ‘এবার বাড়ি যাওয়ার সময় হয়তো খালি হাতেই যেতে হবে।’ প্রতিদিন সকাল ৮টায় বের হয়ে পুরো ঢাকা শহর ঘুরে রাত ১১টায় মেসে ফিরেন ইউসুফ মোল্লা। অন্যবার দিনে দুই থেকে তিন হাজার টাকার পতাকা ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হলেও এবার তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমে এসেছে বিক্রি।

নিয়ম মেনেই সঠিক মাপের পতাকা বিক্রির কথা বলেন ইকবাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের পতাকা আয়তাকার। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০: ৬ এবং মাঝের লাল বর্ণের বৃত্তটির ব্যাসার্ধ দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ, পতাকার দৈর্ঘ্যের ২০ ভাগের বামদিকের ৯ ভাগের শেষবিন্দুর ওপর অঙ্কিত লম্ব এবং প্রস্থের দিকে মাঝখান বরাবর অঙ্কিত সরলরেখার ছেদবিন্দু হলো বৃত্তের কেন্দ্র।’ ‘পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট, লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ ফুট, পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে ৪ ফুট ওপরে প্রস্থের মাঝ বরাবর অঙ্কিত আনুপাতিক রেখার ছেদ বিন্দু হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু’-যোগ করেন ইকবাল।

মুরাদ ও ইকবাল আক্ষেপ করে বলেন, ‘উৎসব উদযাপনে, রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে, কিংবা সরকারি-বেসরকারি ক্লাব, সমিতি, প্রতিষ্ঠানে এবং ব্যক্তিগত পরিসরে পতাকার ব্যবহারের হিড়িক পড়ে। তবে আগের মতো আর পতাকার বিক্রিতে কাটতি নেই। এবারও বেশ বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু গত বছরের তুলনায় কমই।’

  • সর্বশেষ