প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পিকে হালদারের দুর্নীতি মামলা তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে দুদকের প্রতিবেদন

মহসীন কবির: [২] বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। ২৬ অক্টোবর দেশে আসামাত্র পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলো হাইকোর্ট। শুনানিতে হাইকোর্ট মন্তব্য করে, দেশটা কি মগের মুল্লুক, কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে।ইনডিপেনডেন্ট টিভি ও দৈনিক সংবাদ

[৩] এর আগে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপনে থাকা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারকে ধরতে আন্তর্জাতিক তদন্ত সংস্থা ইন্টারপোটেল সহযোগিতা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

[৪] অবৈধ অর্থ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে পিকে হালদারকে গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোলে গ্রেফতারী পরোয়ানা পাঠানো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে দুদকের পক্ষ থেকে। এর আগে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লুটকারী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত পিকে হালদারের বিরুদ্ধে গত ২৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর আদালত থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পিকের সঙ্গে যারা সামিল ছিলেন তাদের একটি অংশ চাচ্ছে না পিকে হালদার দেশে ফিরুক। কারণ পিকে হালদার দেশে ফিরলেই ফেঁসে যেতে পারে অনেক বড় বড় রাগোব বোয়াল।

[৫] এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, ‘পি কে হালদারকে আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলকে চিঠি পাঠাচ্ছে। দুই একদিনের মধ্যে চিঠি ইন্টারপোলে যাবে।’ গত ২৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর আদালত থেকে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করে। গ্রেফতারী পরোয়ানার নথিপত্র হাতে পাওয়ার পরপরই এর সঙ্গে দুদকের চিঠি সংযোজন করে আজ ইন্টারপোলকে রেড নোটিশ দেয়ার জন্য অনুরোধ করবে দুদক।

[৬] দুদকের উপ পরিচালক পদ পর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিয়ম চুক্তি নেই। তবে সরকার ইচ্ছে করলেই প্রশান্তকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারে। কারণ ৪ টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেওলিয়া করে ১০ হাজারের কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় প্রশান্ত এককভাবে জড়িত নয়। মূল ভুমিকায় থাকলেও সে পাচার করেছে মাত্র ৫ শতাধিক কোটি টাকার মতো। বাকী টাকা তার দেশীয় সহযোগীদের কাছে রয়েছে। দুদকের কাছে ইতোমধ্যে এসব দেশীয় সহযোগির তালিকা রয়েছে। কার কাছে কত টাকা আছে এসব নিয়ে দুদক অনুসন্ধান করছে। প্রশান্ত দেশে ফিরলেই বাকী সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার বিষয়টি পরিস্কার হবে।

[৭] সূত্রটি জানায়, প্রশান্ত কুমার হালদার বর্তমানে কানাডার টরেন্টোতে অবস্থান করছেন। সেখানে তিনি বাড়ি, মার্কেট গড়েছেন দেশ থেকে পাচার করা অর্থে। এছাড়া রুনা হাউজিং নামে একটি হাউজিং কোম্পানীও গড়ে তুলেছেন। শুধু কানাডায় কয়েকশ’ কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন প্রশাস্ত কুমার হালদার।

[৮] সূত্রটি জানায়, প্রশান্ত কুমার হালদার পিপলস লিজিং ফান্ড থেকে ঋনের নামে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে পিপলস লিজিং আর্থিক অনটনে পড়ে দেউলিয়া ঘোষনা করা হয়। এরপর সেখানে বিনিয়োগকারীর একেবারেই পথে বসে। এমন পরিস্থিতি প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর বাদী হয়ে একটি মামলা করে। ওই সময় তার দেশ ত্যাগে নিষেজ্ঞাধা চেয়ে দুদক থেকে আবেদন করা হয় পুলিশের ইমিগ্রেশন বিভাগে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই প্রশাস্ত কুমার হালদার স্ব পরিবারে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। এরপর সে কানাডার টরোন্টোতে নিজ বাড়িতে গিয়ে উঠে। এর পর থেকে সে টরোন্টোতে অবস্থান করছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রশান্ত দেশে ফেরার জন্য আবেদন করে আদালতে। কিন্তু প্রশান্তের দেশীয় সহযোগীরা এমন পরিস্থিতি তৈরী করে যার ফলে ঘোষণা দিয়েও প্রশান্ত আর দেশে ফেরেনি।

[৯] সূত্র আরো জানায়, দুদক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অনুসন্ধান শুরু করে। দায়িত্ব দেয়া হয় দুদকের সবচেয়ে চৌকুস কর্মকতা উপ পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানকে। গুলশান আনোয়ার প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন তথ্য উপাত্তা পর্যালোচনা করে ৪ টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশান্ত কুমার হালদার ১০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋনের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে , সেই অর্থ কিভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে কোন কোন ব্যক্তির ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে তার পুরো তথ্য দুদকের কাছে রয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান এখনো চলমান রয়েছে।

[১০] গত আগষ্ট মাসে রিলায়েন্স ফ্যাইন্যান্স ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক এমডি প্রশান্ত কুমার হালদার(পিকে হালদার) ও তার সহযোগী ৮৩ জনের ৩৯ টি প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

[১১] পিকে হালদারের স্বার্থ সংশ্লিস্ট ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে বাংলাদেশ বাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এর মাধ্যমে ওই টাকা ফ্রিজ করা হয়। এ পর্যন্ত ডজনখানেক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। জব্দ করা হয়েছে প্রশান্ত কুমার হালদারের যাবতীয় ব্যাংক হিসেবে এবং স্থাবর অস্থাবার সম্পদ। সূত্র জানায়, পিকে হালদার ও তার সহযোগীদের স্বার্থ সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠান বিআর ইন্টারন্যাশনাল, ন্যাচার এন্টারপ্রাইজ লিঃ, নিউ টেক ইন্টারন্যাশনাল লিঃ,হ্যাল ইন্টারপ্রাইজ লিঃ, নিউট্রিক্যাল লিঃ, আরবি এন্টারপ্রাইজ, আনান ক্যামিক্যাল, রেপট্রিল্যাচ ফার্ম লিঃ পি এন্ড এল ইন্টারন্যাশনাল, আর্থস্কোপ লিঃ, এমটিবি মেরিন লিঃ, কোলাসিন লিঃ, এমএসটি ফার্মা এন্ড হেলথ কেয়ার লিঃ, ওকায়ামা লিঃ, জি এন্ড বি এন্টারপ্রাইজ, ড্রিনুন অ্যাপরেলস লিঃ, মোন এন্টারপ্রাইজ, কোনিকা এন্টার প্রাইজ, সিগমা ক্যাপিট্যাল ম্যানেজম্যান্ট লিঃ. ইমেক্সো,সুখদা প্রপার্টিজ লিঃ, সন্দীপ কর্পোরেশন, উইনটেল ইন্টারন্যাশনাল লিঃ,পদ্মা ওয়েভিং লিঃ, মোহ ফ্যাশন লিঃ, এস এ এন্টারপ্রাইজ, শাহাদাৎ ট্রেডার্স, সাব্বির ট্রেডার্স লিঃ গ্রীন লাইন ডেপোলেপমেন্ট লিঃ, মিসেস বোর্নো, রহমান ক্যামিক্যালস লিঃ, .ক্রসরোড কর্পোরেশন লিমিটেড, তামিম ও তালহা ব্রাদার্স লিমিটেড, ডিজাইনস এন্ড সোর্স লিঃ জেড এ অ্যাপারেলস লিঃ, সুপিরিওর টেক্সটাইল লিঃ, নিথার্ন জুট ম্যানফাকচারিং কোম্পানী লিঃ, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড সিমটেক্স টেক্সটাইল লিঃ, এবং এম জে ট্রেডিং এর ৮৩ জন ব্যক্তির ৩ হাজার কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। মূলত এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় প্রশান্ত কুমার হালদার ১০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে প্রশাস্ত ৫শ কোটি টাকার মতো পাচার করেছে। বাকী সব টাকা দেশেই আছে সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানের নামে বেনামে। পাচার না হওয়া সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা যাদের কাছে আছে তারা চাচ্ছে না প্রশান্ত দেশে ফিরুক। তাহলে অনেকের হাটে হাড়ি ভেঙ্গে যাবে।

[১২] প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) কানাডা অবস্থানকালে গত ২৮ জুন আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একটি আবেদন করে দেশে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর দেশে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার হাইকোর্ট থেকে আদেশ জারি করে। এরপরই তিনি পিছু হটেন দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত থেকে। শারীরিক অসুস্থতার কথা জানালেও দুদক জানতে পারে মূলত প্রশাস্তের দেশীয় সহযোগিরা কোনভাবেই চাচ্ছে না প্রশান্ত দেশে ফিরুক। তাহলে তারাও ফেঁসে যাবে। মূলত ওই চক্রটিই দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে প্রশান্তকে গ্রেফতারের বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিষয়ে নানাভাবে পক্রিয়া চালিয়েছিলো। আর আদালতের আদেশের খবর তারাই প্রশান্তের কাছে পৌছে দিয়ে তাকে দেশে না ফেরার জন্য বলোছিলো। চক্রটি এ ক্ষেত্রে দুমুখো সাপের ভুমিকা নিয়েছে।

[১৩] অনুসন্ধানের সঙ্গে জড়িত দুদক কর্মকর্তারা জানান, পি কে হালদার দেশের একটি অর্থপাচারকারী সিন্ডিকেটের সঙ্গে মিলে ১০ হাজার ২০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। কানাডা, সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত ও ভারতে পাচার করা এসব অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল) থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা, ফাস ফাইন্যান্স থেকে দুই হাজার ২০০ কোটি টাকা, পিপলস লিজিং থেকে তিন হাজার কোটি টাকা এবং রিলায়েন্স ফাইন্যান্স থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কানাডা, সিঙ্গাপুর ও ভারতের বিভিন্ন শহরে পি কে হালদারের পাচার করা ৬৫০ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য মিলেছে। এর মধ্যে শুধু কানাডার টরন্টোতেই মার্কেট, বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ির শোরুম, চেইন শপসহ প্রায় ৩শ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছেন দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ ছাড়া সিঙ্গাপুরে ১০০ কোটি, ভারতে ১৫০ কোটি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে।

[১৪] দুদক সূত্র জানায়, ইমোক্সো এর মালিক ইমাম হোসেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৬৯ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন।সুখাদা প্রোপ্রার্টিজএর মালিকঅভিজিত অধিকারী, অমিতাভ অধিকারী; দুই ভাই। প্রশান্ত কুমার হালদারের কাজিন; ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৭০ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। সন্দীপ কর্পোরেশনএর মালিকস্বপন কুমার মিস্ত্রি,ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৫৫ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন।

[১৫] উইন্টার ইন্টারন্যাশনল এর মালিকঅনিন্দিতা মৃধা (সুকুমার মৃধার মেয়ে); সুকুমার সাহা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৬৯ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। গ্রিনলাইন ডেভলপমেন্ট লিঃএর চেয়ারম্যান মোঃ দেলওয়ার হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক-মিলন কুমার দাশ ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৬৫ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। মেসার্স বর্ণ এর মালিক অনঙ্গ মোহন রায়ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৬৭ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং ও রিলায়েন্স থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। রহমান কেমিক্যালসএর মালিক উজ্জল কুমার নন্দী (চেয়ারম্যান);রাজীর সোম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক; স্বপন কুমার মিন্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, কাজী মমরেজ মাহমুদ-ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৫৫ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং ও রিলায়েন্স থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানী লিঃ এর মালিক-উজ্জ্বল কুমার নন্দী, ২। অমিতাভ অধিকারী, কাজী মমরেজ মাহমুদ, মোঃ ইকবাল সাইদ, অরুন কুমার কুন্ডু- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৩০ কোটি টাকা।

[১৬ একইভাবে এফএএস লিজিং ও রিলায়েন্স থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এবং সিমটেক্স টেক্টাইল লিঃএর মালিক-মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, মাহফুজা রহমান বেবী, ইনসান আলী শেখ, হাফিজা খানম-ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ১২২ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং ও রিলায়েন্স থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন। এম.জে ট্রেডিংএর মালিক-এন এম পারভেজ চৌধুরী-ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে নেন ৫৫ কোটি টাকা। একইভাবে এফএএস লিজিং ও রিলায়েন্স থেকেও তারা একই পরিমাণ অর্থ লুট করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত