প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগে আক্রান্তরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন পিনাট বাটার

হ্যাপি আক্তার: [২] খাবার নিয়ে মানুষের মধ্যে থাকে নানান সংশয়। কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, কোনটা ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর খাদ্য উপাদান নিয়ে কথা বলা হলে, সেখানে পিনাট বাটারকেও রাখতে হবে। বাদাম থেকে তৈরি পিনাট বাটার যতোটা পরিচিত, ততোটাই স্বাস্থ্য সম্মত। বিশেষত চিনিবিহীন পিনাট বাটার প্রতিদিন স্বল্প পরিমাণ খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে এটার চমৎকার সকল স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য। যারা ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগে আক্রান্ত তারা নিঃসংকোচে খেতে পারেন পিনাট বাটার । এমন কি এটি আপনাদের খাবার টেবিলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। ডেইলি হান্ট

[৩] পিনাট বাটার শিশুদের যেমন পছন্দ, তেমনি বড়রাও স্বাচ্ছন্দে এটি গ্রহণ করেন। যদি পিনাট বাটারের আসল পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই অবগত হয়, তাহলে এটি গ্রহণের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই চলুন পিনাট বাটার গ্রহণের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই।

স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ফ্যাট: অনেকেই দুঃশ্চিন্তায় ভোগেন যে পিনাট বাটার খেলে দেহের চর্বি বেড়ে যাবে। কিন্তু পিনাট বাটারে অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। তাই এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ফ্যাট হিসাবে বিবেচিত।

হার্টের জন্য উপকারি: পিনাট বাটার হার্টের জন্য উপকারি। কিন্তু পিনাট বাটার গ্রহণের ক্ষেত্রে দুটো বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত এটি পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে এবং ভেজাল পিনাট বাটার থেকে দূরে থাকতে হবে।

দেহে প্রচুর শক্তি যোগায়: পিনাট বাটারে আছে প্রচুর প্রোটিন এবং উপকারি ফ্যাট। তাই এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি যা একজন মানুষকে তার দৈনন্দিন কাজের জন্য যথেষ্ট শক্তি প্রদান করে। তাই সকালের খাবারে পিনাট বাটারের উপস্থিতি সারাদিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাবে।

প্রোটিনের উত্‍স: একজন মানুষের দিনে দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটার গ্রহণ করা উচিত। এই দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটারে আছে ৭ গ্রাম প্রোটিন যা শরীরের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

ফাইবারের উত্‍স: ২ টেবিল চামচ পিনাট বাটার আপনাকে শুধু প্রোটিনই নিশ্চিত করবে না, এতে রয়েছে ২ গ্রাম ফাইবার। পর্যাপ্ত ফাইবার দেহের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনে। তাই প্রতিদিনের নাস্তায় পিনাট বাটার রাখুন।

পরোক্ষভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে: হ্যাঁ শুনতে অবাক লাগতেই পারে? পিনাট বাটার ওজন কমিয়ে দেয়? আসল ব্যাপারটা হচ্ছে এতে ফ্যাট ও প্রোটিন থাকার পরেও এটি শরীরের জন্য উপকারি। আর প্রোটিন এবং ফাইবার থাকার দরুন পিনাট বাটার গ্রহণে আপনার পূর্ণাঙ্গ খাদ্য গ্রহণ সম্ভব হবে। এর ফলে আপনার ফাস্ট ফুড এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে আসবে। আর এগুলো কম খাওয়া মানেই আপনার ওজন বাধ্যতামূলক ভাবে কমবে।

সর্বোপরি পুষ্টি গুণে ভরপুর: পিনাট বাটারে আছে প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং আরও অনেক কিছু। পিনাট বাটারে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম হাড়কে শক্ত করতে এবং মাসলের সমস্যায় উপকারি ফল বয়ে আনে। পিনাট বাটারে আছে প্রচুর পটাশিয়াম যা সোডিয়ামের খারাপ প্রভাব থেকে দেহকে রক্ষা করে। এছাড়া পিনাট বাটারে অল্প পরিমাণ জিঙ্ক এবং ভিটামিন বি৬ আছে যা দেশের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

 

সর্বাধিক পঠিত