শিরোনাম
◈ ছবিসহ নামের ব্যানারে বিরক্ত নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দিলেন কড়া বার্তা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ হলেন আব্দুর রহমান সানি ◈ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ ◈ রমজানের ছুটির ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে : শিক্ষামন্ত্রী ◈ যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ হতেই লাগেজ হাতে পাবেন: বিমান প্রতিমন্ত্রী ◈ কালোবাজারিদের বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব : ধর্মমন্ত্রী ◈ রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ◈ জনগণের নিরাপত্তা ও মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের যুদ্ধ ঘোষণা ◈ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় পিছিয়ে নতুন সময় ঘোষণা

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ১০:২৭ দুপুর
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ১০:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফজলুল বারী: মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের বিপক্ষে গেলে ঘাড় মটকাবেই, পোলাপান কিন্তু বিচ্ছু মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরি

ফজলুল বারী : সাঈদীর গল্পটা আবার পড়ুন। সাঈদী গেছেন লন্ডনে। অনেক ওয়াজ মাহফিলের প্রোগ্রাম। এসব প্রোগ্রামে পাউন্ডে টিকেট কেটে ঢুকতে হয়। তাই বিলাতের ট্যুর মানেই সাঈদীর অনেক রোজগার। কিন্তু সমস্যা তৈরি করলো সেখানকার টিভি চ্যানেল ফোর। তারা সাঈদীর একটি ভিডিও নিয়ে রিপোর্ট করে প্রশ্ন তুললো, এই বিপজ্জনক লোকটাকে বিলাতে ঢুকতে দিয়েছে কে? কক্সবাজারের এক মাহফিলে সাঈদী বলেছিলেন, ইরাকে সৈন্য পাঠিয়েছে ব্রিটেন। কাজেই যেখানেই ব্রিটিশ পাবে, প্রতিশোধ নাও। যেখানে আমেরিকান পাবে, প্রতিশোধ নাও। এর আগে সাঈদীর আমেরিকা যাওয়া নিষিদ্ধ হয়েছে।

চ্যানেল ফোরের রিপোর্টের পর ব্রিটিশ পুলিশ গেলো বিলাতের বাঙালি ব্যক্তিত্ব আমিন আলীর কাছে। তার কাছে পরামর্শ চাইলো সাঈদীকে ধরে তারা আমেরিকার হাতে তুলে দেবে কিনা।

লন্ডনের বিখ্যাত রেডফোর্ট রেস্টুরেন্টের মালিক আমিন আলী তাদের বললেন, এভাবে সাঈদীকে গ্রেপ্তার করে তুলে দিতে গেলে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার নিউজে সে হিরো হয়ে যাবে। এর চাইতে আমরা তাকে খবর পাঠাই, তোমাকে ধরার চিন্তা করা হচ্ছে। তখন ভীরু সাঈদী এমনি এমনি চলে যাবে। তাই হলো, খবর পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে বিলাতের সব মাহফিল বাতিল করে সাঈদী চলে যান ঢাকায়। আর কোনোদিন বিলাতে তার যাওয়া হয়নি। এখন তো তিনি স্থায়ীভাবে থাকছেন জেলখানায়। সেখানে আমৃত্যু থাকতে হবে যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে। এভাবে খবর পাঠানোর পর সব মাহফিল বাতিল করে মালয়েশিয়ায় চলে যান যুদ্ধাপরাধী রাজাকার সাঈদি ভক্ত আজহারী। আবার তাকে কারা বাজারজাত করছে এ নিয়ে তদন্ত হতে পারে।

মামুনুল হককে দৌড়ের উপর রাখা শুরু হয়েছে। তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে, কীভাবে বাংলাদেশ চলবে তা ঠিক হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে। তাদের রাজাকার আব্বুরা ১৬ ডিসেম্বর না পালালে তখনই গণপিটুনিতে নিহত হতেন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের বিপক্ষে গেলে ঘাড় মটকাবেই। পোলাপান কিন্তু বিচ্ছু মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়