শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ২০২৬, ০২:৪৫ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ‘৫০তম অভিযান’, লক্ষ্য ৫ দেশের মার্কিন ঘাঁটি

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের আগুনের লেলিহান শিখা! সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে জর্ডান—একযোগে পাঁচটি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে বিশাল হামলা শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআইজিসি)। একে ‘৫০তম অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা রাডারগুলোকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ‘৫০তম বিশেষ অভিযান’ শুরু করেছে। এই অভিযান মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত এবং জর্ডানে অবস্থিত ‘মার্কিন সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী’র গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে।

বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা ও ফুজাইরা, বাহরাইনের জুফায়ার ও মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, কুয়েতের আলী সালেম এবং জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা এই অঞ্চলে অবস্থিত সেইসব ‘প্রাথমিক সতর্কবার্তা প্রদানকারী রাডার’ গুলোকেও সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যা দীর্ঘদিন ধরে ইহুদিবাদী ইসরায়েল শাসনের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক ঢাল হিসেবে কাজ করছিল।

ইরানের এই আকস্মিক ও ব্যাপকভিত্তিক অভিযানের ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদিও পেন্টাগন বা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো এই হামলার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন এই ঘটনাটি পুরো অঞ্চলকে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইসরায়েলের সুরক্ষা বলয় ভেঙে দেওয়ার এই ইরানি দাবি সত্য হলে তা আঞ্চলিক সামরিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসবে।

 

  • সর্বশেষ