প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] টেকনাফে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

ফরহাদ আমিন: [২] কক্সবাজারের টেকনাফে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি।

[৩] কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,চলতি বছর টেকনাফ উপজেলায় হোয়াইক্যংয়ে ৬ হাজার ১শ ৬০ হেক্টর, হ্নীলায় ১ হাজার ৪শ ৫৫হেক্টর, টেকনাফ সদরে ১হাজার ৩শ ৩০ হেক্টর,সাবরাংয়ে৭শ ৪০হেক্টর, বাহারছড়ায় ১ হাজার ৬ হেক্টর, সেন্টমার্টিনে ৬৫ হেক্টর ও পৌর এলাকায় ৫ হেক্টরসহ মোট ১০ হাজার ৮শ ১৫ হেক্টর জমির মধ্যে ৫০ হেক্টর জমিতে এরাইজগোল্ড হাইব্রীড, ১৬০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় বিন্নি,লেম্বুর, নুনাস, কালাম পায়জাম,১০হাজার ৬শ ৫ হেক্টর জমিতে উফসি প্রজাতির বি আর১০,ব্রিধান ৩৩, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৯, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৬,৭২, ৭৬, ৮০, ৮৭,বিনা ৭, ১০, ১৭, ২০,পায়জাম ও হরিধানের চাষাবাদ হয়েছে।

[৪] আরো জানা যায়,গত বছর প্রতি হেক্টরে ধানের ফলন ছিল ৩.৫ মেট্রিকটন আর চলতি বছরের সম্ভাব্য ফলন ধরা হয়েছে ৩.৬ মেট্রিকটন।এর কারণ হিসেবে আবহাওয়ার তেমন বিরূপ প্রভাব না থাকা এসব ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়া এলাকার আব্দুল আমিন বলেন,চলতি বছর আমি৩কানি জমিতে ব্রু ধান চাষ করেছি।ফলন খুব ভাল হলেও কিছুদিন পূর্বের ঝড়ো বাতাস এবং বৃষ্টিতে মাঠের বেশ কিছু ধান পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

[৫] হ্নীলা পূর্ব পানখালীর খলিল আহমদ বলেন,আমি ২৫ কানি জমিতে ৩৯,পায়জাম, বিন্নি ধানের চাষ করেছি।ফলন খুব ভাল হয়েছিল কিন্তু বৃষ্টি ও বাতাসে কিছুটা নষ্ট হয়েছে। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়ার মোহাম্মদ আমিন বলেন,৪কানি জমিতে ব্রু-৩৩ধান চাষ করেছি।এবার ফলন খুবই ভাল হয়েছে।

[৬] টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ফতেআলী পাড়ার আব্দুস সালাম বলেন,প্রতি বছরের নিয়ে এবছর ৩কানি জমিতে পায়জাম ও গ্রীন ধান চাষ করেছি।গত বছরের তুলনায় এবার ফলন ভাল হয়েছে।বাতাস ও বৃষ্টির কারণে গ্রীন ধান নষ্ট হয়েছে।

[৭] এব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা কৃষি উপ সহকারী শফিউল আলম বলেন,টেকনাফ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সকল উপসহকারী কৃষি অফিসারগন,প্রযুক্তি ও নতুন নতুন জাত কৃষকদের কাছে পৌছে দিয়ে কৃষকের পাশে থেকে পরামর্শ দিয়েছেন। সার কীটনাশক পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় চাষে কোন অসুবিধা হয় নাই। উপরোক্ত কারনে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বাধিক পঠিত