প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হলে ৭ বছরের জেল, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা

মনিরুল ইসলাম : [২] মৎস্য পণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে রফতানি বা অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি করলে সাত বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হবে। এ বিধান রেখে ‘মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) বিল- ২০২০ পাস হয়েছে।

[৩] সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বিলটি প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

[৪] এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিষ্পত্তি করেন।

[৫] বিলটি পাসের আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, বিশ্বের ৫০টি দেশে বাংলাদেশের মাছ রফতানি হয়্।

[৬] গত ৮ জুলাই বিলটি সংসদের তোলার পর তা পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

[৭] নিরাপদ মাছের উৎপাদন নিশ্চিত করতে মৎস্য খামারিদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিধানও বিলে রাখা হয়েছে।

[৮] মৎস্য পণ্যে ভেজাল দিলে বা খামারে নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার করলে অন্যূন দুই বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ ৮ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনে।

[৯] ১৯৮৩ সালের এ সংক্রান্ত আইনটি বাতিল করে বাংলা ভাষায় নতুন আইন করতে বিলটি আনা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে সামরিক শাসনামলের আইনগুলোকে নতুন করে বাংলায় করা হচ্ছে।

[১০] বিলে মৎস্যের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে ‘সকল প্রকার কোমল ও কঠিন অস্থি বিশিষ্ট মৎস্য, সাদু ও লবণাক্ত পানির চিংড়ি, উভচর জলজ প্রাণী, কচ্ছপ, কুমির,কাঁকড়া জাতীয় প্রাণী, শামুক, ঝিনুক, ব্যাঙ এবং এসব জলজ প্রাণীর জীবন্ত কোষকে মৎস্য হিসেবে গণ্য করা হবে।

[১১] পাস হওয়া বিলে মৎস্য ও মৎস্যপণ্যে ভেজাল, অপদ্রব্যের মিশ্রণ ও অনুপ্রবেশ করানো এবং ক্ষতিকারক রাসায়নিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন অমান্য করলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরিদর্শক বা পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা কোনও ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রশাসনিক জরিমানা করতে পারবেন।

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত