শিরোনাম
◈ পেরুতে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৫ ◈ কারাগার থেকে পালানো সেই নারী কয়েদি রাজধানীতে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বকাপ ফাইনাল: একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, অপরিবর্তিত স্পেন ◈ জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশের পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, সিদ্ধান্ত আদালত ও ইসির ◈ কুয়েত প্রবাসীদের জন্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বার্তা ◈ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার দাবিতে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, বড় সংঘাতের শঙ্কা ◈ রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি, লোকসান ১ হাজার ৮৮৯ কোটি টাকা ◈ সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ক্রোক করা ফ্ল্যাটে প্রথম দিনে শত-শত কোট-টাইসহ যা যা মিলল

প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১০:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবদুন নূর তুষার: জীবন বড় রহস্যময়

আবদুন নূর তুষার: আমাদের জীবন খুবই রহস্যময়। আমি নানা রকম বই পড়তে ভালোবাসি এবং অভ্যাসটা ছোটবেলার। সেবা প্রকাশনীর অসংখ্য বই আমার সংগ্রহে আছে। তার মধ্যে একটা দুষ্প্রাপ্য সংগ্রহ ছিলো ভয়াল নামে ৯টি রহস্য উপন্যাসের একটি সিরিজ। সাগর চৌধুরী ছদ্মনামে সম্ভবত এটা লিখতেন রাহাত খান। ইমতিয়াজ রেহানা জিপ্পি আসাদ ও জাহিদ নামে ৪ বন্ধুর গল্প। আমি যখন ক্লাস এইটে আমার বাসা থেকে কোনো কেউ, (সন্দেহ করেছিলাম একজনকে) সেরদরে আমার কিছু বই বিক্রি করে দেয়। সেখানে এই বই ছিলো। বিক্রি করেছিলো বাসার কাছে এক ভাংগাড়ির আড়তে। জানতে পেরেই আমি ওখান থেকে আবার সেরদরে বই কিনে আনি, কিন্তু সেখান থেকে কয়েকটা বই আর আমি পাইনি। অনেক কেঁদেছিলাম, শিশুমন। আর প্রার্থনা করেছিলাম যদি কোনোভাবে বইগুলো পেয়ে যাই।

সেবা প্রকাশনীতেও যোগাযোগ করেছিলাম। তাদের কাছেও নাকি বইগুলো নেই। পুরনো বইয়ের দোকানসহ কোনোকিছু বাদ দিইনি। তারপর হাল ছেড়ে দিয়েছি। প্রার্থনা ছিলো খুব সাধারণ। বলেছিলাম স্রষ্টাকে যদি তোমার ইচ্ছে হয়, আমি আর খুঁজবো না। ফিরিয়ে দিও সময় মতো। সবই ছেলেবেলার কথা। একমাস আগে নেওয়াজ নামে একটি ছেলে আমাকে বলে, তার কাছে ভয়ালের কপি আছে। সে সেটা আমাকে দিতে চায়। কপি করে একদম নীলক্ষেতের কপি বইয়ের মতো। আমি খুবই অবাক হই। অসাধারণ এই ছেলেটি সে কাজটি করেও ফেলেছে। সে নিজে সংগ্রাহক। তাকে আমি সামনাসামনি দেখিনি। যখন দেখা হবে সেলফি তুলবো। ৩৮ বছর হয়ে গেছে বইগুলো আমি হারিয়েছিলাম। ৩৮ বছর আগে প্রার্থনা করেছিলাম। সেই প্রার্থনার উত্তর এভাবে পেলাম। যখন আমি আর এ বিষয়টি নিয়ে ভাবি না। বাদ দিয়ে দিয়েছি জীবন থেকে। ফিরিয়ে দিও সময়মতো, বলেছিলাম। এই সময় ৩৮ বছর। জীবন বড় রহস্যময়। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়