শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার ◈ আ‌লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয় ◈ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর ◈ কুমিল্লায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন : পুলিশ সুপার ◈ দেশ গঠনে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু

প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১০:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবদুন নূর তুষার: জীবন বড় রহস্যময়

আবদুন নূর তুষার: আমাদের জীবন খুবই রহস্যময়। আমি নানা রকম বই পড়তে ভালোবাসি এবং অভ্যাসটা ছোটবেলার। সেবা প্রকাশনীর অসংখ্য বই আমার সংগ্রহে আছে। তার মধ্যে একটা দুষ্প্রাপ্য সংগ্রহ ছিলো ভয়াল নামে ৯টি রহস্য উপন্যাসের একটি সিরিজ। সাগর চৌধুরী ছদ্মনামে সম্ভবত এটা লিখতেন রাহাত খান। ইমতিয়াজ রেহানা জিপ্পি আসাদ ও জাহিদ নামে ৪ বন্ধুর গল্প। আমি যখন ক্লাস এইটে আমার বাসা থেকে কোনো কেউ, (সন্দেহ করেছিলাম একজনকে) সেরদরে আমার কিছু বই বিক্রি করে দেয়। সেখানে এই বই ছিলো। বিক্রি করেছিলো বাসার কাছে এক ভাংগাড়ির আড়তে। জানতে পেরেই আমি ওখান থেকে আবার সেরদরে বই কিনে আনি, কিন্তু সেখান থেকে কয়েকটা বই আর আমি পাইনি। অনেক কেঁদেছিলাম, শিশুমন। আর প্রার্থনা করেছিলাম যদি কোনোভাবে বইগুলো পেয়ে যাই।

সেবা প্রকাশনীতেও যোগাযোগ করেছিলাম। তাদের কাছেও নাকি বইগুলো নেই। পুরনো বইয়ের দোকানসহ কোনোকিছু বাদ দিইনি। তারপর হাল ছেড়ে দিয়েছি। প্রার্থনা ছিলো খুব সাধারণ। বলেছিলাম স্রষ্টাকে যদি তোমার ইচ্ছে হয়, আমি আর খুঁজবো না। ফিরিয়ে দিও সময় মতো। সবই ছেলেবেলার কথা। একমাস আগে নেওয়াজ নামে একটি ছেলে আমাকে বলে, তার কাছে ভয়ালের কপি আছে। সে সেটা আমাকে দিতে চায়। কপি করে একদম নীলক্ষেতের কপি বইয়ের মতো। আমি খুবই অবাক হই। অসাধারণ এই ছেলেটি সে কাজটি করেও ফেলেছে। সে নিজে সংগ্রাহক। তাকে আমি সামনাসামনি দেখিনি। যখন দেখা হবে সেলফি তুলবো। ৩৮ বছর হয়ে গেছে বইগুলো আমি হারিয়েছিলাম। ৩৮ বছর আগে প্রার্থনা করেছিলাম। সেই প্রার্থনার উত্তর এভাবে পেলাম। যখন আমি আর এ বিষয়টি নিয়ে ভাবি না। বাদ দিয়ে দিয়েছি জীবন থেকে। ফিরিয়ে দিও সময়মতো, বলেছিলাম। এই সময় ৩৮ বছর। জীবন বড় রহস্যময়। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ