শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:২৯ সকাল
আপডেট : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]‘আল্লাহু আকবর’ বলে হত্যার আগে শিক্ষার্থীদের কাছে ওই শিক্ষকের খোঁজ করছিলো সন্ত্রাসী

লিহান লিমা: [২] শুক্রবার প্যারিসের রাস্তায় কলেজের ইতিহাস ও ভূগোলের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটলিকে (৪৭) গলা কেটে হত্যা করে চেচনিয়ার মুসলিম শরণার্থী আবোউলাখ আনজোরোভ (১৮। মামলার তদন্তকারী প্রসিকিউটর জানান, ‘আল্লাহু আকবর’ বলে ওই শিক্ষককে হত্যার পূর্বে কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে ওই শিক্ষকের পরিচয় জানতে চায় হত্যাকারী। ডেইলি মেইল

[৩]হত্যার পর ওই শিক্ষকের মৃতদেহের ছবি চেচনিয়ান আইএস টেলিগ্রাম চ্যানেলে পাঠায় ওই সন্ত্রাসী। আনজোরোভ প্যারিসে শরণার্থী হিসেবে ১০ বছরের বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। তার বোন ২০১৪ সালে আইএসএ যোগ দিতে সিরিয়া যায়। তবে আনজোরোভকে নিয়ে ফ্রান্সের গোয়েন্দাদের কাছে কোনো তথ্য ছিলো না।

[৪] গত ১০দিনে পূর্বে ক্লাসে ফরাসী ব্যাঙ্গাত্মক পত্রিকা শার্লি এবদোয় মহানবী হযরত মুহম্মদদের কার্টুন প্রকাশ ও পত্রিকা অফিসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন স্যামুয়েল। তবে এই সময় মুসলিম শিক্ষার্থীদের ক্লাস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন তিনি। কিন্তু একজন শিক্ষার্থী থেকে যায় এবং সে পরে তার অভিভাবকসহ স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করে। স্যামুয়েলকে হত্যার একদিনের পূর্বে অনলাইনে শেয়ার করার এক ভিডিওতে ওই অভিভাবকরা তাকে ‘দস্যু’ বলেও মন্তব্য করেন। এই ঘটনায় সম্পৃক্ত সন্দেহে কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[৫]ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই ঘটনাকে ‘ইসলামি সন্ত্রাসবাদ’ বলে উল্লেখ করেন। ফ্রান্সের মুসলিম নেতারা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘এটি ফ্রান্সের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায় আঘাত।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়