প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কামরুল হাসান মামুন: দেলোয়ার বানানোর কারিগরকে না ধরলে লাখো দেলোয়ার জন্ম নেবে

কামরুল হাসান মামুন: বেগমগঞ্জের এক নারীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে ভিডিও ভাইরাল করা সেই দেলোয়ার কীভাবে ‘দেলোয়ার বাহিনী’ গড়ে তুললো সেটাতো দেখি হিন্দি মারদাঙ্গা সিনেমার গল্পকেও হারমানায়। আর এই গল্প যিনি নেপথ্যে থেকে তৈরি করেছেন তিনি হলেন গ্লোব ফার্মা ও গ্লোব বায়োটেকের পরিচালক ও নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ। পুরো গল্পটা তাহলে প্রথম আলোর বয়ানেই পড়ুন।
‘নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার হোসেন (২৬) বছর দুই আগে অস্ত্র, গুলিসহ জনতার হাতে ধরা পড়েছিলেন। তখন তাঁকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরই বীরদর্পে এলাকায় ফিরে আসেন তিনি।’ কার অঙ্গুলি নির্দেশে? ‘একটি জোড়া খুনে এবং নিজের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কারাগারেই যেতে হয়নি দেলোয়ারকে। তাঁকে মামলায় আসামিও করা হয়নি। উল্টো তাঁর বাড়িতে অস্ত্র থাকার খবরদাতাকেই গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।’ – কার অঙ্গুলি নির্দেশে?

‘এলাকাবাসী জানান, ২০১৮ সালের শেষ দিকে চৌমুহনী দক্ষিণ বাজারের নুরুল হক মিয়ার রাইস মিল এলাকায় দেলোয়ার একটি শটগান, দুটি গুলিসহ জনতার হাতে ধরা পড়েছিলেন। মারধরের পর তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাঁকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ঘটনায় দেলোয়ারের বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা হয়নি। উদ্ধার করা অস্ত্রেরও হদিস নেই।’ কার অঙ্গুলি নির্দেশে? ‘অভিযোগ উঠেছে, দুই বছর আগে দেলোয়ারের অস্ত্র-গুলিসহ আটকের বিষয়টি তখন পুলিশ ধামাচাপা দিয়েছিল সাংসদ মামুনুর রশীদের লোকজনের তদবিরে। স্থানীয় লোকজন জানান, গণপিটুনিতে আহত দেলোয়ারকে তখন সাংসদের লোকজন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে এলাকায় ফিরে দেলোয়ার আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।’ ‘দেলোয়ারের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আসামি করা হয় তথ্যদাতাকে। হত্যা মামলা থেকেও বাদ। সহায়তার অভিযোগ সাংসদের বিরুদ্ধে।’ কার অঙ্গুলি নির্দেশে?

‘অভিযোগ উঠেছে, দুই বছর আগে দেলোয়ারের অস্ত্র-গুলিসহ আটকের বিষয়টি তখন পুলিশ ধামাচাপা দিয়েছিল সাংসদ মামুনুর রশীদের লোকজনের তদবিরে। স্থানীয় লোকজন জানান, গণপিটুনিতে আহত দেলোয়ারকে তখন সাংসদের লোকজন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে এলাকায় ফিরে দেলোয়ার আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।’

দেলোয়াররা যখন বিপদে পরে তাদের উদ্ধার করে তাদের অবৈধ কাজে ব্যবহারের গল্প সিনেমায় অনেক দেখেছি। আর বাংলাদেশের অনেক সংসদের বিরুদ্ধে এইরকম অভিযোগ আছে যারা ছোটখাটো ক্রিমিনালদের জায়ান্ট ক্রিমিনালে পরিণত করেন। তাদেরই একজন হলে মামুনুর রশীদ। তার কোম্পানি ‘গ্লোব বায়োটেক’-ই তৈরি করছে করোনার ভ্যাকসিন ‘ব্যানকোভিড’! এই ভ্যাকসিন তৈরির ঘোষণা কেমনে বিশ^াস করি? কেমনে মানুষের শরীরে এই ভ্যাকসিন ঢুকিয়ে পরীক্ষার অনুমতিকে নিরাপদ ভাববো? এরা তো দেশের শত্রু। দেলোয়ারকে গ্রেফতার করেছে এতেই আমরা এমনিতে খুশিতে ঘোরতে আনন্দে আত্মহারা। দেলোয়ার বানানোর কারিগরকে না ধরলে এক দেলোয়ার গেছে লাখো দেলোয়ার জন্ম নেবে। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত